বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে মার্কিন হামলাকে ‘আগ্রাসন’ বলে সতর্ক করল ইরান

যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে মার্কিন হামলা চালানোকে সরাসরি আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইরান এর বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রাখে বলে তিনি জানান।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 17:15
Updated
01 Aug 2026, 17:15
Reading time
2 min
ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে মার্কিন হামলাকে ‘আগ্রাসন’ বলে সতর্ক করল ইরান
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করে মার্কিন হামলাকে সরাসরি আগ্রাসন হিসেবে দেখছে ইরান।
  • আন্তর্জাতিক আইন মেনে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন আব্বাস আরাঘচি।
  • যুক্তরাজ্য মার্কিন বাহিনীকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেও কূটনীতির ওপর জোর দিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে ইরান ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার সুযোগ দেওয়ায় ইরান কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি একে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আরাঘচি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তৃতীয় কোনো দেশের ভূমি ব্যবহার করে ইরানের ওপর আঘাত হানা হলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তেহরানের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার থাকবে। এই পরিস্থিতিকে তিনি সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম জানিয়েছেন যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া অব্যাহত থাকবে। তিনি লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীতে নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ব্রিটিশ সরকার এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে তাদের অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে।

লন্ডন অবশ্য জোর দিয়ে বলেছে যে, তারা ইরানের সাথে কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায় না। ব্রিটিশ কূটনীতিকদের মতে, তারা কেবল কৌশলগত নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তাদের মূল লক্ষ্য হলো আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা এবং সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে চলা।

তবে তেহরান এই যুক্তি মানতে নারাজ। ইরানের মতে, পশ্চিমা শক্তির এই সামরিক উপস্থিতি এবং ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয় হলো, এই পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি শেষ পর্যন্ত সামরিক সংঘাতে রূপ নেয় কি না।