মহাদায়ী প্রকল্পের দাবিতে হুব্বলিতে বিক্ষোভ: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দপ্তরের সামনে গ্রেফতার আন্দোলনকারীরা

কর্ণাটকের হুব্বলিতে কালাসা-বান্দুরি পানীয় জল প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগে প্রতিবাদকারীরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর দপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 23:01
Updated
01 Aug 2026, 23:01
Reading time
2 min
মহাদায়ী প্রকল্পের দাবিতে হুব্বলিতে বিক্ষোভ: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দপ্তরের সামনে গ্রেফতার আন্দোলনকারীরা
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কালাসা-বান্দুরি পানীয় জল প্রকল্পের দাবিতে হুব্বলিতে ব্যাপক বিক্ষোভ।
  • কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর দপ্তরের সামনে আন্দোলনকারীদের অবস্থান ও গ্রেফতার।
  • কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কর্ণাটকের প্রতি অবহেলার অভিযোগ সমিতির।

কর্ণাটকের উত্তর অংশে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত কালাসা-বান্দুরি নলা পানীয় জল প্রকল্পের দ্রুত অনুমোদনের দাবিতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হুব্বলি। শনিবার 'মহাদায়ী কালাসা-বান্দুরি হোরাতা সমিতি'-র সদস্যরা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ এনে রাজপথে নামেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার কর্ণাটকের স্বার্থ উপেক্ষা করে প্রকল্পের ছাড়পত্র দিতে ইচ্ছাকৃত বিলম্ব করছে।

বিক্ষোভকারীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর হুব্বলিস্থ দপ্তরের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। তারা স্লোগান দিয়ে জানান যে, সুপেয় জলের এই সংকট মেটাতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। আন্দোলনকারীদের মতে, কর্ণাটকের জনগণের মৌলিক চাহিদার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদাসীনতা 'বিমাতৃসুলভ' আচরণের শামিল।

বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দপ্তরের নিরাপত্তা রক্ষায় এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। পরবর্তীতে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সমিতির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবিলম্বে প্রকল্পের জট না কাটলে আগামীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

কালাসা-বান্দুরি প্রকল্পটি মূলত মহাদায়ী নদীর পানি ব্যবহার করে উত্তর কর্ণাটকের জেলাগুলোতে পানীয় জল সরবরাহের একটি দীর্ঘস্থায়ী উদ্যোগ। গোয়া এবং মহারাষ্ট্রের সাথে জলবণ্টন সংক্রান্ত আইনি ও রাজনৈতিক বিরোধের কারণে এই প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। বর্তমান প্রতিবাদটি সেই স্থবিরতা কাটিয়ে দ্রুত কেন্দ্রীয় পরিবেশগত এবং অন্যান্য ছাড়পত্র আদায়ের লক্ষ্যেই করা হয়েছে।