গবেষণা তখনই সফল যখন তা সমাজের কল্যাণে আসে: ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়

ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় গবেষণার সামাজিক প্রভাবের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তার মতে, নিছক তাত্ত্বিক সাফল্যের চেয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নই হওয়া উচিত যে কোনো উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
17 Aug 2026, 02:45
Updated
17 Aug 2026, 02:45
Reading time
2 min
গবেষণা তখনই সফল যখন তা সমাজের কল্যাণে আসে: ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • গবেষণার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন।
  • পরীক্ষাগারের উদ্ভাবনকে বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রয়োগ করার আহ্বান।
  • কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য গবেষকদের পরামর্শ।

ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে উদ্ভাবন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করেছেন। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি জানিয়েছেন যে গবেষণার সর্বোচ্চ সার্থকতা তখনই অর্জিত হয় যখন তার সুফল সরাসরি সমাজের প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছায়। তার মতে, আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কেবল পরীক্ষাগারে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, বরং সেগুলোকে বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজে লাগাতে হবে।

শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি গবেষণার নৈতিক দিকটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির যে কোনো উদ্ভাবন যদি সাধারণ মানুষের কষ্টের লাঘব না করতে পারে, তবে তার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যায়। তিনি বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষিখাতে নতুন নতুন গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

উপ-রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত বর্তমানে এক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যেখানে উদ্ভাবনই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। এই প্রেক্ষাপটে তরুণ গবেষকদের উচিত এমন সব সমাধান খুঁজে বের করা যা টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণার এমন পরিবেশ তৈরি করার আহ্বান জানান যেখানে সৃজনশীলতা এবং সামাজিক কল্যাণ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

পরিশেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো জাতির অগ্রগতির মাপকাঠি হলো তার গবেষণা কতটা কার্যকরীভাবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত। ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক প্রভাব বজায় রাখতে হলে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন। তার এই বক্তব্যটি মূলত শিক্ষা ও গবেষণার লক্ষ্যকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার একটি তাগিদ হিসেবে দেখা হচ্ছে।