ভবানী দ্বীপ বেসরকারিকরণ ও নদী তীরের বাসিন্দাদের উপেক্ষার প্রতিবাদে সিপিআই(এম)-এর পদযাত্রা
অন্ধ্রপ্রদেশে কৃষ্ণা নদীর তীরে বসবাসকারী পরিবারগুলোর ভূমি অধিকার নিশ্চিত করা এবং ভবানী দ্বীপের বেসরকারিকরণ রুখতে রাজ্য সরকারকে কড়া বার্তা দিয়েছে সিপিআই(এম)।

এক নজরে
- অর্ধশতক ধরে বসবাসকারী পরিবারগুলোর জন্য জমির পাট্টা দাবি করেছে সিপিআই(এম)।
- ভবানী দ্বীপের বেসরকারিকরণ প্রচেষ্টাকে জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- কৃষ্ণা নদী তীরের বাসিন্দাদের উচ্ছেদ রুখতে বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দিয়েছে দলটি।
অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় কৃষ্ণা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের অধিকার রক্ষায় রাজপথে নেমেছে সিপিআই(এম)। দলের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যের নেতৃত্বে পরিচালিত এক ‘পদযাত্রা’ থেকে সরকারের সাম্প্রতিক নীতিমালার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে ভবানী দ্বীপকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার প্রচেষ্টাকে জনস্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেছে দলটি।
বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি হলো, কৃষ্ণা নদীর বাঁধে গত ৫০ বছর ধরে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে অনতিবিলম্বে জমির মালিকানা বা ‘পাট্টা’ প্রদান করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবারগুলো স্থায়ী ঠিকানার অভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।
বামপন্থী নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, সরকার পর্যটন উন্নয়নের নামে জনপদ উচ্ছেদ করে কর্পোরেট সংস্থাকে সুবিধা করে দিতে চাইছে। তারা মনে করেন, উন্নয়নের প্রকৃত সুফল তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে, বিশেষ করে যারা কয়েক প্রজন্ম ধরে ওই অঞ্চলে বসবাস করছেন।
পদযাত্রা চলাকালীন বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি সাধারণ মানুষের বাসস্থানের অধিকার নিশ্চিত না করা হয় এবং পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভবানী দ্বীপের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ না হয়, তবে আন্দোলন আরও তীব্রতর করা হবে। তারা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানান।
