মমতার বাড়ির সামনে বিশাল পুলিশ বাহিনী, 'অঘোষিত জরুরি অবস্থা'র অভিযোগ তৃণমূলের
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনের সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তজনা সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই পদক্ষেপকে 'সুপার এমার্জেন্সি' বা 'গৃহবন্দি' করার অপচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এক নজরে
- মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনী নিয়ে ক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস।
- বর্তমান পরিস্থিতিকে 'সুপার এমার্জেন্সি' এবং 'গৃহবন্দি' করার শামিল বলে দাবি।
- বারুইপুর সফরের আগেই মোতায়েন করা হয় বিশাল বাহিনী।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির জল ঘোলা হতে শুরু করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের সামনে নজিরবিহীন নিরাপত্তা মোতায়েনকে কেন্দ্র করে। যখন মুখ্যমন্ত্রী বারুইপুরের একটি মর্মান্তিক অপরাধের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তার আগেই তাঁর বাসভবন ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।
তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এই ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে দেখছে। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে খণ্ডন করা হচ্ছে। তৃণমূলের দাবি, এটি কার্যত একটি অঘোষিত জরুরি অবস্থার প্রতিফলন।
দলের মুখপাত্ররা প্রশ্ন তুলেছেন যে, বাংলার নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে কি আদতে গৃহবন্দি করার চেষ্টা করা হচ্ছে? বারুইপুরের ঘটনায় যখন পুরো রাজ্য শোকার্ত, তখন রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এই ধরণের সামরিক প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে তাঁরা সরব হয়েছেন।
বিজেপি-কে নিশানা করে তৃণমূল আরও জানিয়েছে যে, নারীদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি তারা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই পদক্ষেপকে তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ ঘাসফুল শিবিরের। এই পরিস্থিতি নিয়ে এখন রাজপথে এবং রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে।
