‘মানসিক নকশাল’ মন্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে সোচ্চার বিরোধী দলগুলো

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘দিমাগি নকশাল’ বা মানসিক নকশাল মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলো। বিরোধীদের অভিযোগ, গণতান্ত্রিক ভিন্নমতকে কলঙ্কিত করতেই এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
15 Aug 2026, 18:15
Updated
15 Aug 2026, 18:15
Reading time
2 min
‘মানসিক নকশাল’ মন্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে সোচ্চার বিরোধী দলগুলো
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • প্রধানমন্ত্রীর 'মানসিক নকশাল' মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
  • বিরোধীদের দাবি, ভিন্নমত দমন ও বিরোধীদের কলঙ্কিত করতেই এই ধরণের শব্দ চয়ন।
  • গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেছে।

ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য। একটি জনসভায় তিনি নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির চিন্তাধারাকে ‘নকশাল মানসিকতা’ হিসেবে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর দেশটির প্রধান বিরোধী দলগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।

কংগ্রেসসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই ধরণের তকমা ব্যবহারের মাধ্যমে আসলে গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভিন্নমত পোষণকারীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক বিরোধীদের জনসমক্ষে হেয় প্রতিপন্ন করতেই ‘নকশাল’ শব্দটি বেছে নেওয়া হয়েছে।

বিরোধীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী যখন এই ধরণের শব্দ ব্যবহার করেন, তখন তা কেবল রাজনৈতিক আক্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি সিভিল সোসাইটি বা সাধারণ মানুষের মধ্যে যারা যৌক্তিক প্রতিবাদ করছেন, তাদের নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। এই ধরণের বক্তব্যকে তারা ‘মেরুকরণ’ তৈরির একটি কৌশল হিসেবেও দেখছেন।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সমর্থকরা যুক্তি দিচ্ছেন যে, এটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে আক্রমণ নয়, বরং দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যারা বাধা সৃষ্টি করে তাদের উদ্দেশেই বলা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে বা স্পর্শকাতর রাজনৈতিক সময়ে এমন মন্তব্য দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।