ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত: নিহত অন্তত ৩৮, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

শনিবার ভোরে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

আরেফিন মোস্তফাস্টাফ রিপোর্টার
Published
15 Aug 2026, 17:16
Updated
15 Aug 2026, 17:15
Reading time
2 min
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত: নিহত অন্তত ৩৮, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
  • দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বহু বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।
  • সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হলেও বড় আকারের আফটারশক জারি রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ফ্লোরেস দ্বীপে শনিবার ভোরে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৭, যা বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। সরকারি সূত্রমতে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলীয় এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, যার ফলে আতঙ্কিত হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নেন। যদিও পরবর্তীতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন না দেখায় সেই সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

উদ্ধারকারী দলগুলো বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। অনেক ঘরবাড়ি এবং স্থাপনা মাটির সাথে মিশে যাওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অস্থায়ী শিবিরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মূল কম্পনের পর ওই অঞ্চলে অন্তত ডজনখানেক আফটারশক অনুভূত হয়েছে, যার মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৬.১। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগভীর উৎপত্তিস্থল হওয়ার কারণে কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার এই অঞ্চলটি ঐতিহাসিকভাবেই ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে পরিচিত।

আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্ধার কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।

আরেফিন মোস্তফা
স্টাফ রিপোর্টার