ইসরায়েলের একমাত্র বন্ধু কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, ভারতের নাম নিলেন নেতানিয়াহু

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্সের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভারতকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে ইসরায়েলের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এখন আরও বিস্তৃত।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 01:01
Updated
06 Jul 2026, 01:01
Reading time
2 min
ইসরায়েলের একমাত্র বন্ধু কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, ভারতের নাম নিলেন নেতানিয়াহু
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • জেডি ভ্যান্সের 'একমাত্র মিত্র' দাবি প্রত্যাখ্যান করলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
  • ভারতকে ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান এবং বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
  • প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ভারত-ইসরায়েল ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক দূরদর্শী মন্তব্য করেছেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ইসরায়েলের 'একমাত্র মিত্র'। নেতানিয়াহু এই দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন যে ভারতের মতো দেশগুলোও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

নেতানিয়াহু এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেন যে, যদিও আমেরিকার সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক এবং গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তবে বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েলের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এখন আর কেবল এক দেশের ওপর সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বিশেষভাবে ভারতের কথা উল্লেখ করে দুই দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক ও সামরিক সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বিগত কয়েক বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অধীনে ভারত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। কৃষি, প্রতিরক্ষা এবং প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে দুই দেশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য মূলত দিল্লির সাথে তেল আবিবের গভীর আস্থারই প্রতিফলন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখার একটি সুচিন্তিত পদক্ষেপ। তিনি একদিকে যেমন ওয়াশিংটনের গুরুত্ব স্বীকার করছেন, তেমনি বিশ্বকে বার্তা দিচ্ছেন যে ভারতসহ বর্তমানের রাইজিং পাওয়ারগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ়।

এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের মতো নিরপেক্ষ অথচ শক্তিশালী শক্তির সমর্থন নেতানিয়াহুর সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক বৈধতা ও কৌশলগত শক্তি জোগাতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।