ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটের মৃতদেহ উদ্ধার করল সেনাবাহিনী
অশান্ত পাপুয়া অঞ্চলে নি নিখোঁজ হওয়ার পর মার্কিন পাইলট নিকোলাস গোসলিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ইন্দোনেশীয় সামরিক বাহিনী। দুর্গম পার্বত্য এলাকা থেকে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযানের পর এই সফলতা আসে।

এক নজরে
- মার্কিন পাইলট নিকোলাস গোসলিনের মরদেহ পাপুয়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
- দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়েছিল।
- মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ।
ইন্দোনেশিয়ার অশান্ত পাপুয়া অঞ্চল থেকে মার্কিন নাগরিক ও পাইলট নিকোলাস গোসলিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ থাকার পর একটি বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তার দেহাবশেষ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধার করা হয়। অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা ও সংঘর্ষের জন্য পরিচিত।
সামরিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধার অভিযানটি অত্যন্ত জটিল ছিল। গোসলিন ওই অঞ্চলে একটি হালকা বিমান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, যা দুর্ভাগ্যজনকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও তদন্তের অধীনে রয়েছে।
পাপুয়া অঞ্চলে গত কয়েক দশকে ইন্দোনেশীয় সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ দানা বেঁধেছে। বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ওই অঞ্চলের স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই চালিয়ে আসছে, যা বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তাকে প্রায়ই হুমকির মুখে ফেলে দেয়। যদিও গোসলিনের মৃত্যুর পেছনে কোনো গোষ্ঠীর সরাসরি হাত আছে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
মার্কিন দূতাবাসকে এই উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি দ্রুত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। এই ঘটনাটি ওই অঞ্চলের বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আবারও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
