কোচি মেট্রো প্রকল্পের যানজট নিরসনে মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপ ও বিশেষ নির্দেশ
ভারতের কেরালা অঙ্গরাজ্যের কোচি মেট্রো প্রকল্পের নির্মাণকাজের ফলে সৃষ্ট তীব্র যানজট নিরসনে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন (SHRC)। নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক নজরে
- মেট্রো প্রকল্পের ব্যারিকেডের কারণে সৃষ্ট যানজট খতিয়ে দেখার নির্দেশ মানবাধিকার কমিশনের।
- সহকারী পুলিশ কমিশনারকে (ট্রাফিক) সরেজমিনে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
- নাগরিকদের চলাচলের অধিকার রক্ষায় কড়া অবস্থান নিয়েছে কেরালা রাজ্য মানবাধিকার প্যানেল।
কেরালার কোচি শহরে চলমান মেট্রো রেল প্রকল্পের নির্মাণকাজের কারণে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের যাতায়াতে চরম বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে রাস্তার ওপর বসানো বিশাল ব্যারিকেডগুলো যান চলাচলের পথ সরু করে দিয়েছে, যার ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের।
এই গণ-অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে কেরালা রাজ্য মানবাধিকার কমিশন (SHRC) সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। সংবাদসংস্থা ‘দ্য হিন্দু’র তথ্য অনুযায়ী, কমিশন কোচি সিটি পুলিশের জেলা প্রধানকে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে। সেখানে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, একজন সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে অবিলম্বে নির্মাণাধীন এলাকাগুলো পরিদর্শন করতে হবে। যানজটের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং বিদ্যমান ব্যারিকেডিং ব্যবস্থার কারণে জনদুর্ভোগের মাত্রা যাচাই করাই হবে এই তদন্তের মূল লক্ষ্য।
মেট্রো রেলের কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ থাকলেও, মানবাধিকার কমিশন মনে করে যে উন্নয়নের অজুহাতে নাগরিকদের চলাচলের মৌলিক অধিকার হরণ করা সমীচীন নয়। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই নির্দেশনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, ট্রাফিক পুলিশের হস্তক্ষেপে নির্মাণ এলাকাগুলোতে যান চলাচল আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং সংকীর্ণ সড়কগুলোতে বিকল্প ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটবে।
