দূষণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে কর্নাটকের সংকেশ্বরে চিনি কল বন্ধ ঘোষণা

পরিবেশগত বিধিমালা অমান্য করার অভিযোগে কর্নাটকের সংকেশ্বরে অবস্থিত একটি বৃহৎ চিনি উৎপাদন কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কর্ণাটক রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (KSPCB) এই নির্দেশ জারি করেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 21:45
Updated
05 Jul 2026, 21:45
Reading time
2 min
দূষণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে কর্নাটকের সংকেশ্বরে চিনি কল বন্ধ ঘোষণা
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • পরিবেশ দূষণের কারণে কর্নাটকের সংকেশ্বরে চিনি কারখানা বন্ধের নির্দেশ।
  • চিনি উৎপাদন, সহ-উৎপাদন এবং ডিস্টিলারি ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ প্যানেল সিলগালা।
  • KSPCB-এর নির্দেশ বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দল।

কর্নাটকের বেলগাভি জেলার সংকেশ্বরে অবস্থিত একটি বিশিষ্ট চিনি উৎপাদন কারখানা এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো সিলগালা করে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। কর্ণাটক রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (KSPCB) সরাসরি নির্দেশে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, কারখানাটি নির্ধারিত পরিবেশগত মানদণ্ড বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং স্থানীয় জলাশয় ও বায়ুমণ্ডলে ক্ষতিকর বর্জ্য নির্গত করছিল।

অভিযানের সময় সরকারি কর্মকর্তাদের একটি বিশেষ দল কারখানার মূল নিয়ন্ত্রণ প্যানেলে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে চিনি উৎপাদন ইউনিট ছাড়াও সহ-উৎপাদন (co-generation) ইউনিট এবং ডিস্টিলারি বা মদ্যশিল্প ইউনিটগুলোর কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থগিত হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর আগে কারখানাটিকে সতর্ক করা হলেও তারা প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেয়নি।

চিনি শিল্পে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। বিশেষ করে ডিস্টিলারি ইউনিট থেকে নির্গত তরল বর্জ্য বা 'স্পেন্ট ওয়াশ' যদি সঠিক পদ্ধতিতে শোধন না করা হয়, তবে তা ভূগর্ভস্থ পানি ও উর্বর জমির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এই কারখানার ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিযোগ ছিল বলে জানা গেছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত কারখানাটি দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সমস্ত শর্ত পূরণ না করছে এবং প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করছে, ততদিন পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধ থাকবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় কর্মসংস্থান এবং আখের যোগানদাতাদের ওপর সাময়িক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে পরিবেশের সুরক্ষার বিষয়টি সবার আগে অগ্রাধিকারযোগ্য।