হরিয়ানা মানবাধিকার কমিশনের কঠোর পদক্ষেপ: পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত

পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন ও চদা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হরিয়ানা রাজ্য মানবাধিকার কমিশন বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 16:01
Updated
05 Jul 2026, 16:00
Reading time
2 min
হরিয়ানা মানবাধিকার কমিশনের কঠোর পদক্ষেপ: পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে কমিশনের স্বতঃস্ফূর্ত হস্তক্ষেপ।
  • তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ।
  • আগামী শুনানির এক সপ্তাহ আগে বিস্তারিত অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ।

ভারতে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে হরিয়ানা রাজ্য মানবাধিকার কমিশন (HHRC)। পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কমিশন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বিষয়টি আমলে নিয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আইনের রক্ষক যখন আইনের ভক্ষক হয়ে ওঠে, তখন সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়।

কমিশন স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, তদন্ত চলাকালীন যদি পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা এই মারাত্মক অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবিলম্বে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

তদন্তের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কমিশন একটি 'অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট' বা গৃহীত ব্যবস্থার প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে। এই প্রতিবেদনে তদন্তের সম্পূর্ণ ফলাফল এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ থাকতে হবে। কমিশন মামলার পরবর্তী শুনানির অন্তত এক সপ্তাহ আগে এই রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।

মানবাধিকার কর্মীদের মতে, পুলিশের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ ভারতের বিচার ব্যবস্থার জন্য নিয়মিত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হরিয়ানা কমিশনের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে পুলিশের অপরাধমূলক আচরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এবং হেফাজতে মৃত্যু বা নির্যাতনের হার কমিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।