বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

প্রধান বিচারপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তন স্থগিত করল টিআইএসএস, অনিশ্চয়তায় কয়েক শ শিক্ষার্থী

টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস (TISS) শেষ মুহূর্তে তাদের বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠান স্থগিত করেছে। ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। হঠাত এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীরা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 06:01
Updated
02 Aug 2026, 06:01
Reading time
2 min
প্রধান বিচারপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তন স্থগিত করল টিআইএসএস, অনিশ্চয়তায় কয়েক শ শিক্ষার্থী
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে টিআইএসএস সমাবর্তন স্থগিত করেছে।
  • ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।
  • অফেরতযোগ্য টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

মুম্বাইয়ের মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস (TISS) এক আকস্মিক ঘোষণায় তাদের নির্ধারিত সমাবর্তন অনুষ্ঠান স্থগিত করেছে। শুক্রবার শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো একটি ইমেলের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। সমাবর্তনটিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।

ইমেইল বার্তায় ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, 'অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি' এবং 'প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ' বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই স্থগিতাদেশের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ বা নতুন তারিখের কথা এখনো জানানো হয়নি। কর্তৃপক্ষের এমন আকস্মিক পদক্ষেপে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সেইসব শিক্ষার্থীরা যারা এই অনুষ্ঠানের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুম্বাইয়ে ভ্রমণ করেছেন। অনেক শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই বিমান বা ট্রেনের টিকিট এবং হোটেল বুকিংয়ের জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছেন। যেহেতু বেশিরভাগ বুকিংই ছিল অফেরতযোগ্য (non-refundable), তাই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

সাধারণত সমাবর্তন অনুষ্ঠানের কয়েক মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি চলে। শিক্ষার্থীদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে, মাত্র কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠান বাতিলের ফলে তাদের শ্রম ও অর্থ উভয়ই বৃথা গেল। বিশেষ করে যারা কর্মজীবন শুরু করেছেন, তাদের জন্য কর্মস্থল থেকে ছুটি ম্যানেজ করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুতই নতুন সূচি জানানো হবে। তবে এই বিলম্ব শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত পরিকল্পনায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। এই বিষয়ে এখনও প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।