টেক্সাস গভর্নরের 'অজুখানাবিরোধী' অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানাল কেয়ার

টেক্সাসের বিভিন্ন বিমানবন্দরে মুসলিম যাত্রীদের জন্য অজুখানা স্থাপনের বিরোধিতা করে গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের ফেডারেল তদন্তের দাবির কঠোর সমালোচনা করেছে কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (কেয়ার)।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 01:00
Updated
18 Aug 2026, 01:00
Reading time
2 min
টেক্সাস গভর্নরের 'অজুখানাবিরোধী' অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানাল কেয়ার
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • টেক্সাস গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট বিমানবন্দরের অজুখানাকে কেন্দ্র করে তদন্তের দাবি তুলেছেন।
  • কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (কেয়ার) একে 'মুসলিমবিরোধী স্টান্ট' হিসেবে দেখছে।
  • ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন গভর্নর অ্যাবট।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট সম্প্রতি বিমানবন্দরের অজুখানা বা ধর্মীয় ধৌতকরণ কেন্দ্রগুলোকে কেন্দ্র করে এক বিতর্কিত অবস্থান নিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিমানবন্দরে এই বিশেষ সুবিধাগুলো প্রদান করা অন্যান্য ধর্মের প্রতি বৈষম্যমূলক হতে পারে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি একটি ফেডারেল তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অ্যাবটের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক স্টান্ট হিসেবে অভিহিত করেছে আমেরিকার সর্ববৃহৎ মুসলিম নাগরিক অধিকার সংস্থা কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (কেয়ার)। সংস্থাটি বলছে, মুসলিম যাত্রীদের মৌলিক ধর্মীয় প্রয়োজনীয়তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এটি সরাসরি ইসলামভীতির প্রতিফলন।

কেয়ার-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিমানবন্দরে ওযু বা ধৌতকরণের জন্য নির্দিষ্ট স্থান রাখা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরির একটি অংশ। অনেক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জন্য প্রার্থনা কক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা থাকে। টেক্সাস গভর্নরের এমন অবস্থান মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিপাবলিকান এই গভর্নর মনে করেন যে বিমানবন্দরের সরকারি তহবিলের অপব্যবহার করে নির্দিষ্ট একটি ধর্মের জন্য বিশেষ অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। তবে মানবাধিকার কর্মীরা মনে করছেন, এটি কেবল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা।

বাংলাদেশ আজকালের আন্তর্জাতিক ডেস্ক থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এই বিতর্কের ফলে টেক্সাসের বিমানবন্দরগুলোতে ধর্মীয় সহনশীলতা এবং সিভিল রাইটস নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেয়ার গভর্নরকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করার এবং ধর্মীয় উসকানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।