ইরানে সামরিক হামলা বাতিল করলেন ট্রাম্প, সমঝোতার নতুন ইঙ্গিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পূর্বপরিকল্পিত একটি সামরিক হামলা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। তেহরানের সাথে আলোচনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 10:31
Updated
02 Aug 2026, 10:31
Reading time
2 min
ইরানে সামরিক হামলা বাতিল করলেন ট্রাম্প, সমঝোতার নতুন ইঙ্গিত
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ইরানে পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিলের ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের।
  • আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার নতুন রূপরেখা বা 'পেরিমিটার' তৈরি হয়েছে বলে দাবি।
  • সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের পথে হাঁটার ইঙ্গিত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করেই ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক আঘাত হানার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তেহরানের সাথে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি নতুন রূপরেখা বা 'ডিল পেরিমিটার' নির্ধারিত হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা উত্তেজনার পর এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনার প্রেক্ষাপটে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন ফুরিয়ে এসেছে। তবে এই নতুন চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থের ওপর সম্ভাব্য হুমকির কথা বলে ওয়াশিংটন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক তৎপরতা সফল হওয়ায় সেই পথ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে পেন্টাগন। এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র দপ্তর ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তেহরানের সাথে পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন কোনো ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। তবে বিরোধীরা এই আকস্মিক পরিবর্তনের পেছনে অন্য কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ওয়াশিংটন এবং তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে। সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হলেও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় রাখার জন্য এই নতুন 'পেরিমিটার' কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েই গেছে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হোয়াইট হাউস থেকে এই সমঝোতার বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘদিনের অস্থিতিশীলতা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।