টাইফুন বাভি’র সতর্কতা: গুয়াম ও উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তিশালী টাইফুন বাভি আঘাত হানার আশঙ্কায় গুয়াম এবং উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে জরুরী সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 16:31
Updated
05 Jul 2026, 16:31
Reading time
2 min
টাইফুন বাভি’র সতর্কতা: গুয়াম ও উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে ব্যাপক প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • টাইফুন বাভি'র আশঙ্কায় গুয়ামে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
  • উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।
  • প্রবল জলোচ্ছ্বাস ও দমকা হাওয়ার কারণে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার নিয়ন্ত্রণাধীন দ্বীপপুঞ্জ গুয়াম এবং উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড় 'টাইফুন বাভি' আছড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে, যার ফলে ভারী বৃষ্টিপাত ও তীব্র বাতাস বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গুয়াম এবং সৈকতের নিকটবর্তী নিম্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দিয়েছে এবং সেখানে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ব্যাটারি মজুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের প্রশাসনও একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করছে। সেখানে নৌযানগুলোকে বন্দরে ফিরে আসার এবং আকাশপথের যোগাযোগ সাময়িকভাবে সীমিত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই অঞ্চলের অবকাঠামো বিশেষ করে ঘরবাড়ি ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর বাভি'র সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আঞ্চলিক আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন যে, সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেশি থাকায় ঝড়টি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে। এর ফলে জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বাড়তে পারে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাধারণ জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও, যথাযথ প্রস্তুতি নিলে জানমালের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।