২০২৬ বিশ্বকাপ: ২০২৮-এর মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের জন্য এক নতুন রাজনীতির ময়দান

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ কেবল খেলা নয়, বরং মার্কিন রাজনীতিকদের জন্য জনভিত্তি তৈরির এক নতুন প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জো শ্যাপিরো এই আসরকে কাজে লাগিয়ে ২০২৮-এর নির্বাচনের প্রাক-প্রস্তুতি সারছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 06:15
Updated
06 Jul 2026, 06:15
Reading time
2 min
২০২৬ বিশ্বকাপ: ২০২৮-এর মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের জন্য এক নতুন রাজনীতির ময়দান
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • গভর্নর জো শ্যাপিরো সর্বোচ্চ ৪টি বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখে আলোচনায় এসেছেন।
  • মার্কো রুবিও এবং গ্যাভিন নিউসামের মতো ২০২৮-এর সম্ভাব্য প্রার্থীরাও স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন।
  • রাজনীতিবিদরা ফুটবল বিশ্বকাপকে সাধারণ ভোটার ও দাতাদের সাথে সংযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন কেবল ফুটবল মাঠের উন্মাদনায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি হয়ে উঠেছে আগামী ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীতের এক অঘোষিত প্রচারের ক্ষেত্র। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিগুলো এখন রাজনৈতিক প্রতিপত্তি প্রদর্শনের অন্যতম মঞ্চ।

পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জো শ্যাপিরো এই প্রতিযোগিতায় অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত তিনি চারটি ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে উপভোগ করেছেন, যা অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেক বেশি। শ্যাপিরো নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি খুব বড় ফুটবল ভক্ত না হলেও, এই টুর্নামেন্টের দেশপ্রেম এবং আন্তর্জাতিক আবহ তাকে মুগ্ধ করেছে। তার এই ‘স্পোর্টস গাই’ ইমেজটি সাধারণ ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপনের একটি কৌশল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শ্যাপিরোর পরে তালিকায় রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, যিনি এ পর্যন্ত দুটি ম্যাচ দেখেছেন। এছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসাম এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও একটি করে ম্যাচ উপস্থিত থেকে নিজেদের জনসম্পৃক্ততা জাহির করেছেন।

আমেরিকান ফুটবল বা বাস্কেটবল প্রেমিদের কাছে ফুটবলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ার সাথে সাথে রাজনীতিকরা একে একটি জনপ্রিয় সংস্কৃতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। বড় বড় ম্যাচগুলোতে উপস্থিত থেকে তারা কেবল খেলা দেখছেন না, বরং প্রভাবশালীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন এবং মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষণ করছেন। শ্যাপিরোর মতো নতুন প্রজন্মের নেতারা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে চাইছেন।