ডাল ও পাম তেলের চাষ বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাজ্যপালের
খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে কৃষকদের ডাল ও পাম তেলের চাষে আরও বেশি মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি কৃষি খাতের আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়েছেন।

এক নজরে
- আমদানি নির্ভরতা কমাতে ডাল ও ভোজ্য তেল চাষের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ।
- তেল পাম চাষে কৃষকদের সরকারি ভর্তুকি ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব।
- জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে ডাল জাতীয় শস্যের পর্যায়ক্রমিক চাষের প্রয়োজনীয়তা।
তেলেঙ্গানার রাজ্যপাল দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে কৃষকদের প্রথাগত শস্যের পাশাপাশি ডাল এবং তেলজাতীয় শস্য চাষের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সম্প্রতি একটি কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। তার মতে, বর্তমানে ডাল ও ভোজ্য তেলের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, যা দেশীয় চাষাবাদের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব।
রাজ্যপাল উল্লেখ করেন যে, পাম তেলের চাহিদা বাজারে ক্রমাগত বাড়ছে। তেল পাম চাষের মাধ্যমে কৃষকরা দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। তিনি সরকারকে এই ধরনের চাষের জন্য প্রয়োজনীয় ভর্তুকি এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানান। উন্নত সেচ ব্যবস্থা এবং মানসম্মত বীজের ব্যবহার ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।
মৃত্তিকার উর্বরতা বজায় রাখতে ডাল জাতীয় শস্যের বিকল্প নেই। রাজ্যপাল বলেন যে, শস্য পর্যায়ক্রমে ডাল চাষ করলে জমির নাইট্রোজেন সরবরাহ বাড়ে এবং পরবর্তী ফলন ভালো হয়। কৃষকদের এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বনে উদ্বুদ্ধ করার জন্য স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন যে, ডিজিটাল কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা এখন আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং বাজারের দর সম্পর্কে সচেতন হতে পারছেন। এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষকে কাজে লাগিয়ে চাষাবাদের খরচ কমিয়ে মুনাফা বাড়ানোই বর্তমান সময়ের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। সামগ্রিকভাবে কৃষি খাতের উন্নয়নে সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
