লেবাননের কিছু খ্রিস্টান গ্রাম ইসরায়েলে যুক্ত হতে চেয়েছে: নেতানিয়াহুর বিতর্কিত দাবি

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন যে দক্ষিণ লেবাননের কিছু খ্রিস্টান গ্রাম হিজবুল্লাহর হাত থেকে সুরক্ষার জন্য ইসরায়েলের সাথে সংযুক্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এল যখন ইসরায়েলি সেনারা লেবাননে তাদের অবস্থান বজায় রেখেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 05:16
Updated
06 Jul 2026, 05:16
Reading time
2 min
লেবাননের কিছু খ্রিস্টান গ্রাম ইসরায়েলে যুক্ত হতে চেয়েছে: নেতানিয়াহুর বিতর্কিত দাবি
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • দক্ষিণ লেবাননের কিছু গ্রাম ইসরায়েলে অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ জানিয়েছে বলে নেতানিয়াহুর দাবি।
  • হিজবুল্লাহর হাত থেকে সুরক্ষা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে এই অনুরোধের কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
  • দক্ষিণ লেবাননে অনির্দিষ্টকালের জন্য সৈন্য মোতায়েন রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করে বলেছেন যে দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু খ্রিস্টান অধ্যুষিত গ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলি ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। রোববার একটি সরকারি বক্তৃতায় তিনি উল্লেখ করেন যে, হিজবুল্লাহর কথিত ক্রমবর্ধমান হুমকি থেকে রক্ষা পেতেই এই গ্রামগুলো ইসরায়েলের আশ্রয় চেয়েছে।

নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যটি লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। দীর্ঘকাল ধরে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে আসছেন। নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে নির্দিষ্ট কোনো গ্রামের নাম উল্লেখ না করলেও তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

একই সাথে, নেতানিয়াহু পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে তার সৈন্যরা যতক্ষণ প্রয়োজন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে হিজবুল্লাহর সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে। ইসরায়েলের এই অনড় অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

লেবানন সরকার বা হিজবুল্লাহর তরফ থেকে এই নির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের বক্তব্য লেবাননের সার্বভৌমත්වের ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা হতে পারে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের জটিল ভূ-রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করার আশঙ্কা তৈরি করেছে।