বেলিংহ্যামের ম্যাজিকে মেক্সিকোকে স্তব্ধ করে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড
আইকনিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকোকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে মেক্সিকানদের স্বপ্নভঙ্গ হলো। ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়েছিল এই নাটকীয় ম্যাচটি।

এক নজরে
- জুড বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে ইংল্যান্ডের দাপুটে জয় নিশ্চিত।
- প্রবল ঝড় ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিক-অফ এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়।
- নিজ দেশের মাঠে বিশ্বকাপের যাত্রা শেষ হলো সহ-আয়োজক মেক্সিকোর।
বিখ্যাত অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ইতিহাস পুনরাবৃত্তির লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল মেক্সিকো। কিন্তু জুড বেলিংহ্যামের বিধ্বংসী পারফরম্যান্সে স্বাগতিকদের থামিয়ে দিল হ্যারি কেইনের দল। ইংল্যান্ডের এই দাপুটে জয়ের ফলে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হলো তাদের ঘরের মাঠেই।
ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর শুরু হয়। মেক্সিকো সিটির দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং প্রবল ঝড়ের কারণে ফিফা কর্তৃপক্ষ কিক-অফ পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল। তবে গ্যালারিতে উপস্থিত হাজার হাজার সমর্থকদের উত্তজনায় এতটুকু ভাটা পড়েনি।
খেলার শুরু থেকেই ইংল্যান্ড আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে। বিশেষ করে মিডফিল্ডে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জুড বেলিংহ্যাম বারবার মেক্সিকান রক্ষণভাগে ত্রাস সৃষ্টি করেন। তার দ্রুতগতির জোড়া গোল ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেয়।
ঐতিহাসিক এই স্টেডিয়ামেই ঠিক ৪০ বছর আগে ডিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত 'হ্যান্ড অব গড' গোলটি হয়েছিল। তবে এবার আর কোনো অলৌকিক কিছু মেক্সিকোকে রক্ষা করতে পারেনি। হ্যারি কেইনের নেতৃত্বে ইংলিশ ফরোয়ার্ড লাইন স্বাগতিকদের কোনো সুযোগই দেয়নি।
মেক্সিকান সমর্থকরা তাদের দলের কাছ থেকে আরও ভালো কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন। ঘরের মাঠে বিদায় নেওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক হলেও ইংল্যান্ডের পেশাদার ফুটবলের সামনে তারা অসহায় ছিল।
এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড এখন সেমিফাইনালের পথে একধাপ এগিয়ে গেল। তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষের জন্য এখন বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রেমীরা অপেক্ষায় রয়েছেন। অন্যদিকে, মেক্সিকোকে এখন তাদের পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ করতে হবে।
