ভদ্রাচলমে গোদাবরীর পানি ৫৬ ফুট ছাড়ালো: অন্ধ্রপ্রদেশে তৃতীয় সতর্কবার্তা জারি, উচ্ছেদ শুরু

গোদাবরী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে ভদ্রাচলমে ৫৬ ফুট ছাড়িয়ে যাওয়ায় অন্ধ্রপ্রদেশের এলুরু জেলায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল থেকে কয়েক হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 17:32
Updated
01 Aug 2026, 17:32
Reading time
2 min
ভদ্রাচলমে গোদাবরীর পানি ৫৬ ফুট ছাড়ালো: অন্ধ্রপ্রদেশে তৃতীয় সতর্কবার্তা জারি, উচ্ছেদ শুরু
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ভদ্রাচলমে গোদাবরী নদীর পানি ৫৬ ফুট অতিক্রম করায় তৃতীয় স্তরের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
  • ১৫ লাখ কিউসেকের বেশি পানি ভাটির দিকে প্রবাহিত হওয়ায় এলুরু জেলায় ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চলছে।
  • গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্কদের উদ্ধারকাজে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

দক্ষিণ ভারতের গোদাবরী নদীর পানি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্ধ্রপ্রদেশের ভদ্রাচলম এলাকায় তৃতীয় ও চূড়ান্ত বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। বর্তমানে পানির স্তর ৫৬ ফুট অতিক্রম করেছে, যা আশেপাশের গ্রামগুলোর জন্য বড় ধরণের হুমকির সৃষ্টি করেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ১৫ লাখ কিউসেক পানি ভাটির দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে নদী উপকূলীয় জেলাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি অবনতিশীল।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় এলুরু জেলা প্রশাসন ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। বিশেষ করে পোলাভারাম বাঁধ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে পানির উচ্চতা ১১.৯৬ মিটারে পৌঁছানোয় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাঁধের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে অতিরিক্ত পানি নির্গমন অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ সুপার কে. প্রতাপ শিব কিশোর জানিয়েছেন যে, উদ্ধার অভিযানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গর্ভবতী নারী, প্রবীণ নাগরিক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বাহিনী এবং পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে যাতে কোনো প্রাণহানি না ঘটে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও পানীয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তবে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে এমন পূর্বাভাস থাকায় সতর্কতা বলবৎ রাখা হয়েছে।

আবহাওয়া এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, উজানে ভারী বৃষ্টির ফলে নদীর পানি প্রবাহ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।