নির্বাচনী রাজনীতিতে হাতেখড়ি প্রশান্ত কিশোরের: বাঁকিপুর উপনির্বাচনে লড়বেন জন সুরজ নেতা

বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন প্রশান্ত কিশোর। জন সুরজ দলের হয়ে প্রথমবারের মতো নির্বাচনী ময়দানে নামছেন এই কুশলী রাজনীতিক, যা বিজেপির শক্তিশালী দুর্গে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 16:46
Updated
05 Jul 2026, 16:46
Reading time
2 min
নির্বাচনী রাজনীতিতে হাতেখড়ি প্রশান্ত কিশোরের: বাঁকিপুর উপনির্বাচনে লড়বেন জন সুরজ নেতা
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ৩০ জুলাই বিহারের বাঁকিপুর উপনির্বাচনে সরাসরি লড়বেন প্রশান্ত কিশোর।
  • নির্বাচনটিকে নীতীশ সরকারের বিরুদ্ধে গণভোট হিসেবে দেখছেন জন সুরজ প্রতিষ্ঠাতা।
  • বিজেপির দীর্ঘদিনের শক্তিশালী এই গড় জয় করা কিশোরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

ভারতের বিহার রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন মোড় এল। ভোটকুশলী হিসেবে পরিচিত প্রশান্ত কিশোর এবার সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন। আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তিনি জন সুরজ দলের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে থেকে বিভিন্ন দলকে জেতানোর কারিগর হিসেবে পরিচিত ছিলেন কিশোর। তবে এবার তিনি নিজেকে সরাসরি জনতার আদালতে তুলে ধরছেন। বাঁকিপুর আসনটি দীর্ঘকাল ধরে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, ফলে কিশোরের এই সিদ্ধান্তকে একটি সাহসী রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

প্রশান্ত কিশোরের মতে, এই উপনির্বাচন কেবল একজন বিধায়ক নির্বাচনের লড়াই নয়, বরং এটি রাজ্যের বর্তমান সরকারের কাজের ওপর একটি গণভোট। তিনি দাবি করেছেন যে, জন সুরজ দল মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলোকে সামনে রেখে প্রচার চালাচ্ছে। বেকারত্ব, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলোকে তিনি তার প্রচারণার মূল হাতিয়ার করেছেন।

অন্যদিকে, বিজেপি তাদের এই পুরোনো দুর্গ ধরে রাখতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। দলটি তৃণমূল স্তরে তাদের সাংগঠনিক শক্তির ওপর ভরসা রাখছে। তবে কিশোরের ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এবং তার নতুন রাজনৈতিক দর্শন ভোটারদের মধ্যে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখন দেখার বিষয়।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, কিশোরের এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিহারের ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগাম মহড়া। যদি তিনি এই আসনে ভালো ফল করতে পারেন, তবে তা মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।