যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড কর্মসূচি এখন স্থায়ী: নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের তালিকায় ভারত কি আছে?

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাদের বিতর্কিত ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের বি১ এবং বি২ ভিসা আবেদনকারীদের কাছ থেকে ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত বন্ড দাবি করতে পারবেন কনস্যুলার কর্মকর্তারা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 15:15
Updated
01 Aug 2026, 15:15
Reading time
2 min
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড কর্মসূচি এখন স্থায়ী: নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের তালিকায় ভারত কি আছে?
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • বি১ এবং বি২ ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত বন্ড বাধ্যতামূলক হতে পারে।
  • ৫০টি নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের ওপর এই নিয়ম কার্যকর হবে যাদের ওভারস্টে করার প্রবণতা বেশি।
  • যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই নিয়মকে স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন এনেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। পর্যটন ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত বি১ এবং বি২ ভিসার ক্ষেত্রে পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হওয়া ‘ভিসা বন্ড’ কর্মসূচিটিকে এখন স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিশ্বের নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য দেশটিতে প্রবেশ আরও ব্যয়বহুল এবং জটিল হতে পারে।

এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় অবস্থান (ওভারস্টে) করেন, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা। কনস্যুলার কর্মকর্তারা যদি মনে করেন যে কোনো আবেদনকারী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফিরবেন না, তবে তারা সেই ব্যক্তির কাছ থেকে ৫,০০০ থেকে শুরু করে ২০,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড দাবি করতে পারবেন।

যাদের কাছ থেকে এই বন্ড নেওয়া হবে, তারা যদি ভিসা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন, তবে এই অর্থ ফেরত পাবেন। তবে ভিসার শর্ত ভঙ্গ করলে বা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশিদিন থাকলে সেই অর্থ আর ফেরত দেওয়া হবে না। মূলত অভিবাসন ঝুঁকি কমাতেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে মার্কিন সরকার।

তালিকায় থাকা ৫০টি দেশের মধ্যে বেশিরভাগই এমন দেশ যেখানকার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ওভারস্টে করার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। তালিকায় ভারতের মতো বড় দেশগুলোর নাম থাকা নিয়ে যে জল্পনা ছিল, তার উত্তর মিলেছে নতুন নির্দেশনায়। বর্তমান তালিকায় ভারতের নাম সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এটি পরিবর্তন হতে পারে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটক এবং ব্যবসায়ী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সমালোচকরা মনে করছেন, এই অতিরিক্ত আর্থিক বাধ্যবাধকতা উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যবিত্তদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কঠিন করে তুলবে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এটিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করেছেন।