ভারতে ব্যারিয়ারমুক্ত টোল ব্যবস্থা: কমেছে নিয়ম লঙ্ঘন ও নোটিশের হার
ভারতের হাইওয়েগুলোতে স্বয়ংক্রিয় ও ব্যারিয়ারমুক্ত টোল আদায় পদ্ধতি প্রবর্তনের ফলে টোল ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চালকদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মানার প্রবণতা বাড়ছে।

এক নজরে
- ব্যারিয়ারমুক্ত ব্যবস্থায় কমেছে টোল ফাঁকি ও ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের হার।
- ই-নোটিশের সংখ্যা কমে আসায় সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আসার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
- স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহারে টোল প্লাজায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষার অবসান হয়েছে।
ভারতে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে চালু করা ব্যারিয়ারমুক্ত টোল প্লাজাগুলোতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগে টোল না দিয়ে চলে যাওয়ার যে প্রবণতা ছিল, নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থায় তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, ই-নোটিশ বা জরিমানার সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কারণে এখন আর যানবাহনকে টোল দেওয়ার জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয় না। সেন্সর এবং উচ্চমানের ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল কাটা সম্ভব হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা বাড়ায় সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে টোল পরিশোধের বিষয়ে সচেতনতা এবং নিয়মানুবর্তিতা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, যে সব সড়কে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে সেখানে টোল সংক্রান্ত বিবাদও কমেছে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ফলে এখন টোল প্লাজাগুলোতে যানজট যেমন কমছে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আদায়েও গতিশীলতা এসেছে। যাত্রীদের সময় বাঁচাতে এবং যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি এই প্রযুক্তির পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী হওয়ায় মানুষ এখন দ্রুত পরিষেবার পাশাপাশি আইন মানতেও বেশি আগ্রহী। ই-নোটিশ কমে যাওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তির মাধ্যমে সঠিক তদারকি করা হলে দীর্ঘমেয়াদে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব। ভারতের এই মডেলটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের জন্যও উদাহরণ হতে পারে।
