পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে কঠোর আইনের দাবি: কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারকে বিজেপির চ্যালেঞ্জ

কেন্দ্রীয় সরকারের অনুকরণে কর্নাটকের পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক এস. সুরেশ কুমার। নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি রুখতে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 20:45
Updated
01 Aug 2026, 20:45
Reading time
2 min
পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে কঠোর আইনের দাবি: কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারকে বিজেপির চ্যালেঞ্জ
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কেন্দ্রীয় আইনের আদলে কর্নাটকে নতুন পরীক্ষা আইন চালুর দাবি বিজেপির।
  • প্রশ্নপত্র ফাঁস ও দুর্নীতি রুখতে বর্তমান ব্যবস্থাকে অপর্যাপ্ত বলে দাবি সুরেশ কুমারের।
  • প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ও কঠোর শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার আহ্বান।

কর্ণাটকের রাজনীতিতে এখন পরীক্ষা সংস্কার ও স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির সিনিয়র বিধায়ক এবং প্রাক্তন মন্ত্রী এস. সুরেশ কুমার রাজ্যের বর্তমান কংগ্রেস সরকারকে একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি পরীক্ষা ব্যবস্থায় জালিয়াতি ও অনিয়ম রুখতে যে কঠোর আইন কার্যকর করেছে, রাজ্য সরকারেরও উচিত অনুরূপ একটি আইন প্রণয়ন করা।

সুরেশ কুমারের মতে, রাজ্যে একের পর এক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে, যা মেধাবী পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন যে বর্তমান আইনি কাঠামো এই ধরনের অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত নয়। তাই কেন্দ্রীয় আইনের আদলে কঠোর সাজার বিধান রাখা জরুরি।

বিজেপি বিধায়ক আরও উল্লেখ করেন যে, পরীক্ষা কেন্দ্রের সুরক্ষা এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, কেন রাজ্য সরকার এই ধরনের একটি কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করছে। এই দাবিটি এমন এক সময়ে এল যখন সারা দেশে জাতীয় স্তরের পরীক্ষাগুলোর বিশ্বস্ততা নিয়ে আলোচনা চলছে।

কংগ্রেস সরকার অবশ্য এই চ্যালেঞ্জের বিপরীতে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনগুলোতে এই বিষয়টি নিয়ে উত্তাপ বাড়তে পারে। বেকার যুবক এবং পরীক্ষার্থীদের সমর্থন পেতে বিজেপি এই ইস্যুটিকে বড় করে তুলে ধরছে।