তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলনে জেলেনস্কি ও সিরীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প
ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর যুদ্ধ সমাপ্তির পথ খুঁজতে আঙ্কারায় ইউক্রেনীয় ও সিরীয় রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এক নজরে
- আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে জেলেনস্কির সাথে ট্রাম্পের বৈঠক হচ্ছে।
- সাড়ে চার বছরের দীর্ঘ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে বিশেষ উদ্যোগ।
- সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা।
তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনে বিশ্ব রাজনীতির মোড় ঘোরানো এক বৈঠকের আয়োজন হতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই সম্মেলনে সরাসরি সংলাপে বসবেন। দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে এটি একটি বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই সফরের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হলো সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের সাথে ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে এই আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তুরস্ক এই জাঁকজমকপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে নিজেকে একটি শক্তিশালী মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে উপস্থাপন করছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো ইউক্রেন যুদ্ধের একটি সম্মানজনক ও দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা। নির্বাচনের প্রচারণার সময় থেকেই তিনি এই যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিলেন। এখন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে তিনি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে হাঁটছেন।
তবে এই বৈঠক নিয়ে ক্রেমলিন বা অন্যান্য ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে সিরিয়া ইস্যুটি ন্যাটো জোটের ভেতরে ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শগত জটিলতা তৈরি করতে পারে। তবুও, আঙ্কারার এই বৈঠকটি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের সূচনা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
