কর্ণাটকে খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে নাগরিক তদারকি দল ও কিউআর কোড অভিযোগ ব্যবস্থা চালু

কর্ণাটক সরকার রাজ্যের প্রতিটি তালুক পর্যায়ে নাগরিক কেন্দ্রিক খাদ্য সুরক্ষা পর্যবেক্ষণ দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। ওষুধের মান ও খাবারের নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ জানাতে চালু করা হয়েছে নতুন ডিজিটাল কিউআর কোড ব্যবস্থা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 02:30
Updated
18 Aug 2026, 02:30
Reading time
2 min
কর্ণাটকে খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে নাগরিক তদারকি দল ও কিউআর কোড অভিযোগ ব্যবস্থা চালু
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কর্ণাটকের প্রতিটি তালুক স্তরে নাগরিক চালিত খাদ্য সুরক্ষা পর্যবেক্ষণ দল গঠিত হচ্ছে।
  • খাদ্য ও ওষুধের মান নিয়ে অভিযোগ জানাতে কিউআর কোড ভিত্তিক ডিজিটাল সিস্টেম চালু।
  • তৃণমূল পর্যায়ে স্বচ্ছতা এবং জনস্বাস্থ্যের মানোন্নয়নে এই সমন্বিত পদক্ষেপ।

জনস্বাস্থ্য ও খাদ্যের গুণমান বজায় রাখতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের কর্ণাটক রাজ্য সরকার। রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, তৃণমূল পর্যায়ে খাদ্যের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি তালুক বা মহকুমা স্তরে বিশেষ নাগরিক তদারকি দল গঠন করা হবে। দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনের সাথে সাধারণ মানুষের সরাসরি সম্পৃক্ততা বাড়ানো।

এই নতুন পরিকল্পনার আওতায় সাধারণ নাগরিকরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় হোটেলের রান্নাঘর, রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন। সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এই নাগরিক দলগুলো নজরদারি চালাবে, যাতে কোনোভাবেই অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন বা ভেজাল মেশানোর সুযোগ না থাকে।

নাগরিক তদারকি দলের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নেও জোর দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। ওষুধ এবং খাদ্যের মান সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত ও সহজতর করতে একটি কিউআর কোড (QR Code) ভিত্তিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্বেগের কথা কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, এই ব্যবস্থার ফলে খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন বিভাগে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। কোনো দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বা রেস্তোরাঁয় বাসি খাবার পাওয়া গেলে কিউআর কোড ব্যবহার করে সরাসরি ছবি বা তথ্য পাঠানো যাবে, যার ওপর ভিত্তি করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কর্ণাটক সরকারের এই মডেল ভারতের অন্যান্য রাজ্যের জন্যও একটি উদাহরণ হতে পারে। সরকারি নজরদারির সীমাবদ্ধতা দূর করতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল শক্তি। এর ফলে অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার হবে এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।