ঝাড়খণ্ডে বিতর্কিত জেএসএসসি-সিজিএল পরীক্ষা বাতিল, অভিযুক্ত সংস্থার সব পরীক্ষা স্থগিত

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ঝাড়খণ্ডে জেএসএসসি-সিজিএল পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। বিতর্কিত সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হলেও সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় পরীক্ষার্থীরা।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 02:30
Updated
18 Aug 2026, 02:30
Reading time
2 min
ঝাড়খণ্ডে বিতর্কিত জেএসএসসি-সিজিএল পরীক্ষা বাতিল, অভিযুক্ত সংস্থার সব পরীক্ষা স্থগিত
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের জরুরি ক্যাবিনেট বৈঠকে জেএসএসসি-সিজিএল পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত।
  • প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সিআইডির তল্লাশি এবং একজনকে গ্রেপ্তার।
  • পরীক্ষা বাতিল হলেও সিবিআই তদন্তের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা।

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (জেএসএসসি) পরিচালিত কম্বাইন্ড গ্র্যাজুয়েট লেভেল (সিজিএল) পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ক্যাবিনেট বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সাথে বিতর্কিত ওই পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার মাধ্যমে নেওয়া পূর্ববর্তী সকল পরীক্ষাও বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তের পর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে খুশির আমেজ দেখা দিলেও তারা তাদের আন্দোলন পুরোপুরি প্রত্যাহার করেনি। শিক্ষার্থীদের দাবি, শুধুমাত্র পরীক্ষা বাতিলই যথেষ্ট নয়; এই দুর্নীতির গভীরে পৌঁছাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা সিবিআই-এর মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করতে হবে। বর্তমানে রাজ্য পুলিশ ও সিআইডি এই ঘটনার তদন্ত করছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে রাজ্য সিআইডি ইতিমধ্যেই জেএসএসসি কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়েছে এবং এই জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, একটি বিশেষ প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সহায়তায় পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে মেধা তালিকার স্বচ্ছতা প্রশ্নের মুখে পড়ে।

মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে অতি দ্রুত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরায় পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্তমান তদন্তকারী সংস্থার ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা নেই এবং প্রকৃত দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা হতে পারে। এই কারণেই তারা সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় অবস্থান গ্রহণ করেছেন।