অস্ট্রেলিয়ায় জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বাড়ছে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির জনপ্রিয়তা

অস্ট্রেলিয়ায় নতুন গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত উপাত্ত অনুযায়ী, দেশটিতে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির বিক্রয় এখন প্রচলিত পেট্রোলচালিত গাড়ির সমান পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 11:16
Updated
02 Aug 2026, 11:16
Reading time
2 min
অস্ট্রেলিয়ায় জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বাড়ছে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির জনপ্রিয়তা
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির বিক্রি পেট্রোল গাড়ির সমান হয়েছে।
  • জ্বালানি তেলের মূল্য ২ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ক্রেতারা বিকল্প খুঁজছেন।
  • জ্বালানি শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পেট্রোল চালিত গাড়ির খরচ আরও বাড়ছে।

অস্ট্রেলিয়ার অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (এএএ) থেকে প্রাপ্ত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে দেশটিতে বৈদ্যুতিক (EV) এবং হাইব্রিড গাড়ি ক্রয়ের হার ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতারা প্রথাগত পেট্রোল ইঞ্জিনের গাড়ির পাশাপাশি প্রায় সমান হারেই পরিবেশবান্ধব গাড়ি বেছে নিচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিতিশীল মূল্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এই পরিবর্তনের মূল কারণ। যখনই জ্বালানির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে, তখনই সাধারণ গ্রাহকরা দীর্ঘমেয়াদী সাশ্রয়ের চিন্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ির দিকে ঝুঁকছেন। গত কয়েক মাসে ইভি বিক্রির হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

অস্ট্রেলীয় সরকার মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাব কমাতে জ্বালানি তেলের ওপর যে শুল্ক ছাড় দিয়েছিল, তা সম্প্রতি শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম আবারও ২ ডলার অতিক্রম করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধি গ্রাহকদের আরও বেশি করে বিকল্প জ্বালানি চালিত যানবাহনের দিকে উৎসাহিত করছে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাইব্রিড ও বৈদ্যুতিক প্রযুক্তির সহজলভ্যতা এবং সরকারি বিভিন্ন প্রণোদনা এই খাতের প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। নতুন এই প্রবণতা অস্ট্রেলিয়ার কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।