শৈব তিরুমুরাই তামিল সাহিত্যকে গণতান্ত্রিক করেছে: নির্মলা সীতারামন

চেন্নাইয়ে এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, প্রাচীন শৈব ধর্মীয় গ্রন্থ 'তিরুমুরাই' সামাজিক বৈষম্য দূর করে তামিল সাহিত্যকে সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দিয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 05:01
Updated
02 Aug 2026, 05:01
Reading time
2 min
শৈব তিরুমুরাই তামিল সাহিত্যকে গণতান্ত্রিক করেছে: নির্মলা সীতারামন
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • শৈব তিরুমুরাই তামিল সাহিত্যের প্রসারে ও গণতান্ত্রিকীকরণে বড় ভূমিকা রেখেছে।
  • চেন্নাইয়ের ৩৪তম বার্ষিক দৈব সেক্কিঝার উৎসবে অর্থমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
  • ধর্মীয় এই সাহিত্যগুলো সামাজিক বাধা পেরিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ৩৪তম বার্ষিক 'দৈব সেক্কিঝার' উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন তামিল সাহিত্যের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং এর সামাজিক প্রভাব তুলে ধরেন। সেক্কিঝার রিসার্চ সেন্টার এবং শ্রী রামচন্দ্র উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত এই উৎসবে তিনি শৈব ধর্মীয় গ্রন্থগুলোর গুরুত্ব আলোচনা করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন যে, শৈব তিরুমুরাই কেবল ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং এটি তামিল সাহিত্যকে গণতান্ত্রিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর মতে, এই গ্রন্থগুলো ভক্তি আন্দোলনের মাধ্যমে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল যেখানে জাতপাত বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সাহিত্য ও আধ্যাত্মিকতা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল।

সীতারামন বিশেষভাবে জোর দেন যে, প্রাচীনকালে যখন জ্ঞান এবং সাহিত্য একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, তখন এই শৈব ভক্তিমূলক রচনাগুলো সাধারণ মানুষের ভাষায় তাদের জীবনবোধকে তুলে ধরে। এটি দক্ষিণ ভারতের সামাজিক কাঠামোতে একটি দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।

পরিশেষে, তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্মগুলোকে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং এর প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করা আধুনিক সমাজের সংহতির জন্য অপরিহার্য। উৎসবটি তামিল নাড়ুর সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।