সিরিয়ায় পুলিশ হেফাজতে 'হোয়াইট হেলমেট' কর্মীর মৃত্যুতে তদন্তের নির্দেশ

সিরিয়ার পুলিশ হেফাজতে এক উদ্ধারকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ওই ব্যক্তির হিমোফিলিয়া থাকার কথা জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ তাতে কর্ণপাত করেনি এবং তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 01:30
Updated
18 Aug 2026, 01:30
Reading time
2 min
সিরিয়ায় পুলিশ হেফাজতে 'হোয়াইট হেলমেট' কর্মীর মৃত্যুতে তদন্তের নির্দেশ
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • সিরিয়ার নিরাপত্তা হেফাজতে হোয়াইট হেলমেট কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু।
  • হিমোফিলিয়া রোগের কথা জানানো সত্ত্বেও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ।
  • ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে সিরীয় সরকারের পক্ষ থেকে তদন্তের ঘোষণা।

সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ব্যক্তি উদ্ধারকারী সংস্থা 'হোয়াইট হেলমেট'-এর একজন কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, আটকের সময় তার শারীরিক অবস্থা এবং বিশেষ করে 'হিমোফিলিয়া' রোগের কথা বারবার জানানো হয়েছিল। রক্ত জমাট বাঁধার এই বিরল সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য যেকোনো আঘাত প্রাণঘাতী হতে পারে। তবে পরিবারের দাবি, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাদের এই সতর্কবাণীকে গুরুত্ব দেননি।

নিহতের স্বজনরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাকে গুরুতর শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। আঘাতের ফলে রক্তক্ষরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। সিরিয়ার সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালীন 'হোয়াইট হেলমেট' বা সিরিয়া সিভিল ডিফেন্স উদ্ধারকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। এই সংস্থার সাথে যুক্ত কর্মীদের ওপর আগেও বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রীয় চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানবাধিকার রক্ষায় সিরিয়ার ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

তদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে দোষী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ঘটনার নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।