প্যারেন্টিং বা সন্তান পালনে চ্যাটজিপিটির ভূমিকা নিয়ে আশাবাদী স্যাম অল্টম্যান
ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান সম্প্রতি অভিভাবকদের জন্য চ্যাটজিপিটির নতুন ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এআই প্রযুক্তি কীভাবে আধুনিক লালন-পালনে সহায়ক হতে পারে, তা নিয়ে তিনি তার উৎসাহ প্রকাশ করেন।

এক নজরে
- প্যারেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল হিসেবে দেখছেন স্যাম অল্টম্যান।
- শিশুদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও সৃজনশীল কাজে এআই ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
- প্রযুক্তিটিকে মানুষের সরাসরি বিকল্প নয় বরং সহায়ক গাইড হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এখন আর কেবল দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান মনে করেন, বাস্তব জীবনে বিশেষ করে সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। সম্প্রতি এক আলোচনায় তিনি অভিভাবকদের জন্য এই প্রযুক্তির উপযোগিতা তুলে ধরেন।
অল্টম্যানের মতে, চ্যাটজিপিটি অভিভাবকদের জন্য একটি সার্বক্ষণিক সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে। শিশুর জন্য গল্পের আইডিয়া তৈরি করা থেকে শুরু করে জটিল কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সহজভাবে বুঝিয়ে বলা—সবক্ষেত্রেই এআই কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তিনি একে একটি 'কুল ইউজ কেস' বা চমৎকার ব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অভিভাবকরা অনেক সময় সন্তানদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হিমশিম খান। চ্যাটজিপিটির মতো টুলগুলো এখানে রেফারেন্স গাইড হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এটি সরাসরি মানুষের বিকল্প নয়, বরং একটি সহায়ক হাতিয়ার মাত্র। অল্টম্যান বরাবরই এআই-কে মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যম হিসেবে দেখে আসছেন।
তবে এই প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার এবং শিশুদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা মনে করেন, এআই-এর তথ্য সবসময় নির্ভুল নাও হতে পারে। তা সত্ত্বেও অল্টম্যানের এই দৃষ্টিভঙ্গি নির্দেশ করে যে, আগামী দিনে আমাদের পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব আরও গভীর হবে।
