বেঙ্গালুরুতে কোয়ান্টাম ফাউন্ড্রির উদ্বোধন: প্রযুক্তির নতুন দিগন্তে কর্ণাটক

ভারতের সিলিকন ভ্যালি হিসেবে পরিচিত বেঙ্গালুরুতে একটি নতুন কোয়ান্টাম ফাউন্ড্রি স্থাপন করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি রাজ্যে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের বিকাশকে ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা সরকারি সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 00:45
Updated
18 Aug 2026, 00:45
Reading time
2 min
বেঙ্গালুরুতে কোয়ান্টাম ফাউন্ড্রির উদ্বোধন: প্রযুক্তির নতুন দিগন্তে কর্ণাটক
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • বেঙ্গালুরুতে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ত্বরান্বিত করতে নতুন ফাউন্ড্রি চালু।
  • বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে।
  • এই উদ্যোগটি গবেষণাগারের উদ্ভাবনকে শিল্পজাত পণ্যে রূপান্তর করতে সাহায্য করবে।

বেঙ্গালুরুতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। শহরের একটি বেসরকারি সংস্থা কোয়ান্টাম ফাউন্ড্রি চালু করেছে, যা কর্ণাটক রাজ্যে উন্নত কম্পিউটিং পরিকাঠামো তৈরির লক্ষ্যে কাজ করবে। এই কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য হলো গবেষণাগারের উদ্ভাবনগুলোকে বাস্তব বিশ্বের ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তিতে রূপান্তর করা।

কর্ণাটক সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি জানান, সরকার এমন সমস্ত বাস্তবধর্মী প্রয়োগকে সমর্থন করবে যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করতে সহায়ক।

এই ফাউন্ড্রিটি মূলত গবেষক, স্টার্টআপ এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কোয়ান্টাম প্রসেসর এবং সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার তৈরির পথ প্রশস্ত হবে, যা ভারতকে বৈশ্বিক প্রযুক্তি মানচিত্রে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

প্রথাগত কম্পিউটিংয়ের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা, ঔষধ শিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। বেঙ্গালুরুর এই নতুন সুবিধাটি এই খাতের স্থানীয় প্রতিভাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

দ্য হিন্দু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি নীতিগুলো এখন উদ্ভাবনবান্ধব করার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী খাড়গে জোর দিয়ে বলেছেন যে, কেবল তাত্ত্বিক গবেষণা নয়, বরং জনসাধারণের কল্যাণে লাগে এমন প্রযুক্তিগত প্রয়োগই হবে মূল অগ্রাধিকার।

পরিশেষে, এই কোয়ান্টাম ফাউন্ড্রিটি কর্ণাটককে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান কোয়ান্টাম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথে একটি বড় পদক্ষেপ। এটি দীর্ঘমেয়াদে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।