নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা হিসেবে কাজ করছে, গুরুতর অভিযোগ কংগ্রেসের

ভারতের নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস। দলটির দাবি, বর্তমান কমিশন ক্ষমতাসীন বিজেপির স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে এবং ভোটার তালিকা ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 21:00
Updated
05 Jul 2026, 21:00
Reading time
2 min
নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা হিসেবে কাজ করছে, গুরুতর অভিযোগ কংগ্রেসের
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির শাখা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জয়রাম রমেশ।
  • ভোটার তালিকা ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরির অভিযোগ।
  • বিশাল সংখ্যক মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রের দাবি।

ভারতের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেশটির নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেছেন যে, কমিশন এখন নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি অঙ্গসংগঠন বা শাখা হিসেবে কাজ করছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনৈতিক আঙিনায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

কংগ্রেসের মতে, বিশেষ কিছু কৌশলের মাধ্যমে বিজেপি নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। জয়রাম রমেশ দাবি করেন যে, বর্তমান নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এমন কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে যার লক্ষ্য হলো বিপুল সংখ্যক মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা। ভোটার তালিকায় কারচুপির মাধ্যমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, মোদী-শাহ জুটি সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী রোল বা তালিকা পরিবর্তন করছেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিরোধী দলের জনভিত্তি আছে এমন এলাকাগুলোতে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া বা স্থানান্তর করা। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজেপি একটি 'ম্যানুফ্যাকচারড মেজরিটি' বা কৃত্রিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি করতে চাইছে বলে কংগ্রেস সরাসরি অভিযোগ তুলেছে।

নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কংগ্রেস দাবি করেছে যে, ইসিআই-এর বর্তমান কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ। নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার যে সাংবিধানিক দায়িত্ব কমিশনের ওপর ন্যস্ত রয়েছে, তারা তা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে সুশীল সমাজ এবং আইনি মহলে আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।