মণিপুরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য মণিপুরে নতুন করে দেখা দেওয়া কুকি-নাগা উত্তেজনা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
05 Jul 2026, 18:46
Updated
05 Jul 2026, 18:46
Reading time
2 min
মণিপুরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা।
  • ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজে গতি আনার সিদ্ধান্ত।
  • নতুন করে শরণার্থী অনুপ্রবেশ মোকাবিলায় কঠোর নজরদারির নির্দেশ।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি মণিপুরের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এই সভায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যটির আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক জাতিগত সংঘাতের রেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল কুকি এবং নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া উত্তেজনার বিষয়টি। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার শান্তি বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত মোতায়েন এবং নজরদারি বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করাও ছিল এই পর্যালোচনা সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের অদূরে অবস্থিত এলাকাগুলোতে বেড়া (fencing) দেওয়ার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে আলোচনা করা হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্ত সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এছাড়া, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে নতুন করে উদ্বাস্তুদের আগমনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় সভায়। শরণার্থীদের এই স্রোত যাতে স্থানীয় জনবিন্যাস ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি না হয়ে দাঁড়ায়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় বজায় রেখে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা যায়। শান্তি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সকল পক্ষের সাথে আলোচনার পথ খোলা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।