উত্তরপ্রদেশে পরকীয়ার নৃশংস পরিণতি: প্রেমিকের দেহ মেঝেতে পুঁতলেন স্বামী, দুর্গন্ধে ফাঁস রহস্য
উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কাছে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। স্ত্রীর পরকীয়া জেনে ফেলায় তার প্রেমিককে হত্যা করে নিজের ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।

এক নজরে
- স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের দেহ বাড়ির মেঝের নিচে পুঁতে রাখলেন স্বামী।
- বাড়ি থেকে আসা উৎকট দুর্গন্ধে গ্রামবাসীর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে খবর।
- স্ত্রী পুলিশি হেফাজতে থাকলেও মূল অভিযুক্ত স্বামী বর্তমানে পলাতক।
ভারতের উত্তরপ্রদেশে একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে যেখানে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে বাড়ির মেঝের নিচে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসী ও প্রতিবেশীদের কাছে বাড়ি থেকে আসা উৎকট দুর্গন্ধ সন্দেহজনক মনে হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করলে এই লোমহর্ষক ঘটনার রহস্য উদঘাটিত হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ওই ব্যক্তির অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে তিনি মৃতদেহটি শোবার ঘরের মেঝের গভীরে পুঁতে দিয়েছিলেন। এরপর স্বাভাবিক জীবন যাপনের চেষ্টা করলেও মৃতদেহের পচন ধরায় সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই ঘরের মেঝে খনন করে পচে যাওয়া দেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।
বর্তমানে মূল অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগে ওই ব্যক্তির স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গ্রামজুড়ে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
