মণিপুরে ৬ নাগা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য: কাংপোকপির পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ এনআইএ-র

মণিপুরে ছয়জন নাগা পুরুষকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে কাংপোকপি অঞ্চলের একজন পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। জনরোষের মুখে সরকার মামলাটি কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেয়।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
06 Jul 2026, 01:16
Updated
06 Jul 2026, 01:16
Reading time
2 min
মণিপুরে ৬ নাগা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য: কাংপোকপির পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ এনআইএ-র
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • কাংপোকপির একজন পুলিশ সদস্যকে ছয় নাগা হত্যাকাণ্ডে জেরা করছে এনআইএ।
  • প্রবল জনরোষের জেরে রাজ্য সরকার তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে ন্যস্ত করেছে।
  • এখন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়নি।

মণিপুরের সাম্প্রতিক অস্থিরতার মধ্যে ছয়জন নাগা সম্প্রদায়ের ব্যক্তিকে অপহরণ ও নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কাংপোকপি জেলার একজন পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি রাজ্যে নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ছয়জন নাগা পুরুষকে অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে এবং পরবর্তীতে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে মণিপুরের নাগা গোষ্ঠীগুলো তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানায়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার শেষ পর্যন্ত এই স্পর্শকাতর মামলাটি এনআইএ-র কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তদন্তকারী সংস্থাটি এখন এই ঘটনার গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। বিশেষ করে কেন এবং কীভাবে একজন পুলিশ সদস্য এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে যে, স্থানীয় কিছু অশুভ শক্তির সাথে পুলিশ বা প্রশাসনের কোনো স্তরে যোগসাজশ থাকতে পারে। তবে এনআইএ এখন পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করেনি।

মণিপুরে দীর্ঘকাল ধরে চলা জাতিগত দাঙ্গা ও অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও এমন নৃশংস ঘটনা জনমনে শঙ্কা বাড়িয়েছে। নাগা কাউন্সিল ও অন্যান্য সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোর পক্ষ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে চাপের মুখে রয়েছে সরকার। এনআইএ শীঘ্রই এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।