কর্ণাটকে ‘শুদ্ধিকরণ’ আচারের বিরুদ্ধে প্রস্তাব গৃহীত, সামাজিক বৈষম্য রোধে কড়া পদক্ষেপ

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে তথাকথিত ‘শুদ্ধিকরণ’ আচারের বিরুদ্ধে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাশ হয়েছে। দ্য হিন্দু-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক সমতা বজায় রাখতে এবং প্রথাগত কুসংস্কার দূর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 02:45
Updated
18 Aug 2026, 02:45
Reading time
2 min
কর্ণাটকে ‘শুদ্ধিকরণ’ আচারের বিরুদ্ধে প্রস্তাব গৃহীত, সামাজিক বৈষম্য রোধে কড়া পদক্ষেপ
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • তথাকথিত শুদ্ধিকরণ আচারের বিরুদ্ধে কর্ণাটকে সরকারি প্রস্তাব পাশ।
  • দ্য হিন্দু-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
  • মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি।

কর্ণাটকের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ এক অধিবেশনে বর্ণপ্রথা ও অস্পৃশ্যতার জের ধরে চলা ‘শুদ্ধিকরণ’ আচারের বিরুদ্ধে একটি নিন্দা প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। দ্য হিন্দু-এর তথ্যানুসারে, এই পদক্ষেপটি মূলত সামাজিক সংস্কার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মর্যাদা রক্ষার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই বিতর্কিত প্রথাটি ভারতের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে দেখা যায়, যেখানে উচ্চবর্ণের প্রাঙ্গণে তথাকথিত নিম্নবর্ণের মানুষের প্রবেশের পর স্থানটিকে পবিত্র করার নামে ধর্মীয় আচার পালন করা হয়। এই ধরনের কার্যক্রমকে মানবাধিকার ও সাংবিধানিক মূলবোধের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রস্তাবটি গ্রহণের সময় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে এমন মধ্যযুগীয় প্রথা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ধরনের কার্যকলাপের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সামাজিক সংগঠনগুলো এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা মনে করছে, কেবল আইন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই এই কুপ্রথা পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব। কর্ণাটকের এই সিদ্ধান্ত প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।