ফিলিস্তিনি পতাকা প্রদর্শনের দায়ে ব্রিটিশ ব্যান্ড ‘ম্যাসিভ অ্যাটাক’-কে নিষিদ্ধ করল সিঙ্গাপুর

ফিলিস্তিনি পতাকার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে ব্রিটিশ ট্রিপ-হপ ব্যান্ড ম্যাসিভ অ্যাটাকের দুই সদস্যকে সিঙ্গাপুরে পুনরায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। দেশটির কঠোর রাজনৈতিক সংহতি নীতির আওতায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 06:46
Updated
02 Aug 2026, 06:46
Reading time
2 min
ফিলিস্তিনি পতাকা প্রদর্শনের দায়ে ব্রিটিশ ব্যান্ড ‘ম্যাসিভ অ্যাটাক’-কে নিষিদ্ধ করল সিঙ্গাপুর
বিনোদন · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ফিলিস্তিনি পতাকা প্রদর্শনের কারণে ম্যাসিভ অ্যাটাকের দুই সদস্যকে নিষিদ্ধ করেছে সিঙ্গাপুর।
  • সিঙ্গাপুরের কঠোর জনশৃঙ্খলা আইন ও বিদেশি রাজনৈতিক প্রতীক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার আওতায় এই পদক্ষেপ।
  • ঘটনাটি আন্তর্জাতিক স্তরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শৈল্পিক সেন্সরশিপ নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

সিঙ্গাপুর সরকার সম্প্রতি ব্রিটিশ ইলেকট্রনিক মিউজিক ব্যান্ড ম্যাসিভ অ্যাটাকের দুই সদস্যের ওপর দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মূলত ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে পতাকা প্রদর্শনের জের ধরেই এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি।

ম্যাসিভ অ্যাটাক তাদের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে সোচ্চার থাকার জন্য পরিচিত। সম্প্রতি একটি পারফরম্যান্সের সময় ফিলিস্তিনি পতাকা ব্যবহারের মাধ্যমে তারা গাজা পরিস্থিতির প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তবে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ একে তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলা নীতির পরিপন্থী হিসেবে দেখছে।

সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, বিদেশি নাগরিকদের এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না যা দেশটির সামাজিক সম্প্রীতি বা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করতে পারে। সিঙ্গাপুরে জনসম্মুখে বিদেশি রাজনৈতিক প্রতীক প্রদর্শন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

মানবাধিকার কর্মী এবং ব্যান্ডটির ভক্তরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা একে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুর তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ওপর অটল রয়েছে, যা যেকোনো ধরণের বিদেশি রাজনৈতিক প্রচারণাকে নিরুৎসাহিত করে।

এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিঙ্গাপুরের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সেন্সরশিপ নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যান্ডটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও তাদের সমর্থকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।