ভুটানকে ই২০ পেট্রোল বিক্রির খবর ভিত্তিহীন: ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়
ভারত থেকে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল বা ই২০ আমদানিতে ভুটান অসম্মতি জানিয়েছে— এমন খবর নাকচ করে দিয়েছে মোদী সরকার। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়েছে যে এ ধরনের কোনো প্রস্তাব ভুটানকে দেওয়া হয়নি।

এক নজরে
- ভুটানকে ই২০ পেট্রোল রফতানির কোনো প্রস্তাব দেয়নি ভারত সরকার।
- ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে ছড়ানো গুজবকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
- ভারতীয় বাজারে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।
ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং কিছু সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি দাবি খণ্ডন করেছে। ওই দাবিগুলোতে বলা হয়েছিল যে, ভুটান ভারত থেকে ই২০ পেট্রোল আমদানির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভুটানকে এই জ্বালানি সরবরাহের জন্য আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাবই দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে ভারত তার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত লক্ষ্য অর্জনে ইথানল মিশ্রণ কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সারাদেশে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, এই জ্বালানি বর্তমানে কেবল ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদাই মেটাচ্ছে।
বিরোধীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে, প্রতিবেশী দেশগুলো ভারতের এই নতুন জ্বালানি নীতি গ্রহণ করছে না। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ই২০ পেট্রোল ব্যবহারের আগে ব্যাপক প্রযুক্তিগত পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়মিত পেট্রোলের তুলনায় এটি পরিবেশবান্ধব এবং ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতার ওপর এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই।
দেশীয় অটোমোবাইল নির্মাতারাও এখন ই২০ উপযোগী ইঞ্জিন তৈরিতে মনোনিবেশ করছে। সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, এই জ্বালানি আন্তর্জাতিক মানের সাথে সংগতিপূর্ণ। রফতানির চেয়ে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ মিশ্রণ হার বাড়ানোই সরকারের প্রধান কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
