অমিত শাহের পদত্যাগ দাবিতে অনড় আইসা: পুলিশি জবাবদিহির দাবিতে আন্দোলনের ডাক

২০ জুলাইয়ের পুলিশি অভিযানের প্রতিবাদে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)। সংগঠনের সভাপতি নেহা স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে সমালোচনার চেয়ে পুলিশি জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 19:31
Updated
01 Aug 2026, 19:30
Reading time
2 min
অমিত শাহের পদত্যাগ দাবিতে অনড় আইসা: পুলিশি জবাবদিহির দাবিতে আন্দোলনের ডাক
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ২০ জুলাইয়ের পুলিশি অভিযানের দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছে আইসা।
  • প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে বিতর্কের মুখেও ক্ষমা না চাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন আইসা সভাপতি নেহা।
  • পুলিশি জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার।

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-এর সভাপতি নেহা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। গত ২০ জুলাইয়ের পুলিশি অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদের সূত্রপাত হয়। সম্প্রতি প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলেও নেহা জানিয়েছেন, তারা তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন এবং কোনো ক্ষমা প্রার্থনা করবেন না।

আইসা সভাপতির মতে, প্রতিবাদের শব্দচয়ন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে মূল ইস্যু থেকে নজর সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ২০ জুলাই ছাত্রছাত্রীদের ওপর যে ধরনের পুলিশি দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে, তার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জবাবদিহি করতে হবে। এই ঘটনাকে গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে ছাত্র সংগঠনটি।

নেহা অভিযোগ করেছেন যে, নির্দিষ্ট দিনে পুলিশি পদক্ষেপ ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং কঠোর। এই প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার মতে, যতক্ষণ না পুলিশি ব্যবস্থার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত হচ্ছে, ততক্ষণ রাজপথের লড়াই থামবে না।

সংগঠনটি মনে করে, ক্যাম্পাসে এবং রাজপথে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আইসা প্রধানের এই বক্তব্য ভারতের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। তারা মনে করেন, নাগরিক অধিকার রক্ষায় এই আন্দোলন একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু ছাত্র সংগঠনগুলো বলছে, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে তাদের এই সংগ্রাম দীর্ঘমেয়াদী হবে। আগামী দিনগুলোতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে আইসার।