ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে আরএসএসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন খাড়গের, সমর্থন করলেন নতুন বিলকে

কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে আরএসএসের ঐতিহাসিক অবদান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং কর্ণাটকের নতুন পাবলিক প্রপার্টি বিলের পক্ষে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
16 Aug 2026, 01:45
Updated
16 Aug 2026, 01:45
Reading time
2 min
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে আরএসএসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন খাড়গের, সমর্থন করলেন নতুন বিলকে
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • স্বাধীনতা সংগ্রামে আরএসএসের অবদান নেই বলে দাবি মল্লিকার্জুন খাড়গের।
  • সরকারি সম্পত্তি রক্ষা বিলের পক্ষে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন এই প্রবীণ নেতা।
  • ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে বিজেপি ও আরএসএসকে তুলোধুনো করলেন খাড়গে।

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) কঠোর সমালোচনা করে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাদের ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাড়গে দাবি করেছেন যে যারা আজ দেশপ্রেমের কথা বলছেন, ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতকে মুক্ত করার লড়াইয়ে তাদের কোনো দৃশ্যমান অবদান ছিল না।

খাড়গে আরএসএসের আদর্শিক অবস্থানকে আক্রমণ করে বলেন যে, যখন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এবং অন্যান্য স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়ছিল, তখন বর্তমানের এই প্রভাবশালী সংগঠনগুলো পার্শ্বরেখায় অবস্থান করছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে বিজেপি এবং তাদের মিত্ররা ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে জনগণের মন জয় করার চেষ্টা করছে।

রাজনৈতিক মন্তব্যের পাশাপাশি খাড়গে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবিত বিলের পক্ষেও সোচ্চার হন। তিনি যুক্তি দেন যে সরকারি ও জনগণের সম্পত্তি রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক বিক্ষোভ বা অন্য কোনো কারণে সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি রোধে কঠোর আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি পুনরুল্লেখ করেন।

সমালোচকরা যদিও এই বিলকে ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন, খাড়গে সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করার অর্থ গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা নয়, বরং নাগরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা। এই দ্বিমুখী অবস্থানের মাধ্যমে খাড়গে একদিকে কংগ্রেসের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার রক্ষা করছেন এবং অন্যদিকে প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার ওপর জোর দিচ্ছেন।