বাংলাদেশ আজকাল — Bangladesh Ajkal

রাম মন্দির নিয়ে বিদ্রূপাত্মক নাটক: রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে বারাণসীতে অভিযোগ

সংসদে রাম মন্দির নির্মাণের তহবিল সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে বিরোধী দলগুলোর প্রতীকী প্রতিবাদের জেরে দায়ের করা হলো পুলিশি অভিযোগ। বারাণসীর সাধু ও আইনজীবীরা রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব এবং পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলেছেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 17:31
Updated
01 Aug 2026, 17:30
Reading time
2 min
রাম মন্দির নিয়ে বিদ্রূপাত্মক নাটক: রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে বারাণসীতে অভিযোগ
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • সংসদে রাম মন্দির নিয়ে প্রতীকী নাটকের জেরে বারাণসীতে মামলা দায়ের।
  • রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব ও পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ।
  • তহবিল তছরুপের অভিযোগ তুলে বিরোধীদের প্রতিবাদের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি সংসদ প্রাঙ্গণে রাম মন্দিরের তহবিল সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে একটি প্রতীকী নাটক বা স্किट পরিবেশন করা হয়। এই ঘটনাটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বিরোধী দলগুলো তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে হিন্দুধর্মের পবিত্র প্রতীক ও রাম মন্দিরের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। বারাণসীর বেশ কয়েকজন সাধু এবং স্থানীয় আইনজীবীরা এই মর্মে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড কোটি কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।

এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং নির্দলীয় সংসদ সদস্য পাপ্পু যাদব। বিরোধীদের দাবি ছিল, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য সংগৃহীত অনুদানে ব্যাপক অনিয়ম ও তছরুপ হয়েছে। এই বিষয়টি জনগণের সামনে তুলে ধরতেই তারা সংসদে এই প্রতীকী প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছিলেন।

তবে সাধু সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিবাদের নামে পবিত্র বিষয় নিয়ে মস্করা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত এই অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি না হলেও, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা আসন্ন দিনগুলোতে ভারতের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও উস্কে দিতে পারে।