সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে ১৮ কোটি টাকার অনুদান চুরির অভিযোগ রাজ ঠাকরের

মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরের অর্থ তসরুফের অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, বার্ষিক আয়ের একটি বড় অংশ দুর্নীতির কবলে পড়ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
02 Aug 2026, 15:01
Updated
02 Aug 2026, 15:01
Reading time
2 min
সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে ১৮ কোটি টাকার অনুদান চুরির অভিযোগ রাজ ঠাকরের
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে বার্ষিক ১৮ কোটি টাকা চুরির অভিযোগ রাজ ঠাকরের।
  • এই অর্থ মন্দিরের বার্ষিক আয়ের প্রায় ১০ শতাংশ বলে দাবি করা হয়েছে।
  • মন্দির ট্রাস্টের আর্থিক স্বচ্ছতা এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মুম্বাইয়ের অন্যতম পবিত্র এবং প্রভাবশালী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরকে কেন্দ্র করে এক চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে। তার দাবি অনুযায়ী, মন্দিরের বার্ষিক অনুদান থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৮ কোটি টাকা ‘চুরি’ হচ্ছে। এই পরিমাণ অর্থ ২০২৬ অর্থবছরের আনুমানিক আয়ের প্রায় ১০ শতাংশ।

রাজ ঠাকরে এই অভিযোগ উত্থাপন করে মন্দির ট্রাস্টের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভক্তদের দেওয়া এই বিশাল পরিমাণ অর্থ যথাযথ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার না হয়ে অব্যবস্থাপনার শিকার হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে এই অভিযোগ ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে যখন মন্দিরের আর্থিক কাঠামো এবং প্রশাসনের উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বিদ্যমান।

এই মন্দিরটি মহারাষ্ট্রের অন্যতম ধনী মন্দির হিসেবে পরিচিত, যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত সমাগম ঘটে। ঠাকরের এই দাবি যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা মন্দির প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাজ ঠাকরের এই অভিযোগ শুধুমাত্র ধর্মীয় নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। আর্থিক স্বচ্ছতার এই ইস্যুটি সাধারণ মানুষের মধ্যে মন্দির পরিচালনার ধরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।