বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের নতুন দিগন্ত: ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সের্জিও গোরের ঢাকা সফর

ওয়াশিংটনের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি সের্জিও গোর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈঠক করেছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ সফর।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 15:02
Updated
01 Aug 2026, 15:01
Reading time
2 min
বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের নতুন দিগন্ত: ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সের্জিও গোরের ঢাকা সফর
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর এটি ওয়াশিংটনের তৃতীয় উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
  • সের্জিও গোর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
  • বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা খাতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সফর করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ সহযোগী সের্জিও গোর। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হন। গত ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এটি ওয়াশিংটন থেকে আসা তৃতীয় কোনো জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধির সফর, যা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের গভীরতা নির্দেশ করে।

বৈঠক শেষে গোর জানান যে, সঠিক সহযোগিতা এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দুই দেশই বাস্তবসম্মত ফলাফল অর্জন করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো ক্ষেত্রগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এই সফরটি মূলত ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদী দক্ষিণ এশীয় নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসনের একের পর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এই সফর বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক কাঠামোর প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটি ইঙ্গিত। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংস্কার এবং মানবাধিকার ইস্যুগুলোতে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে।

সফরকালে সের্জিও গোর দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রীও মার্কিন প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।