অন্ধ্রপ্রদেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ও অমরাবতী প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

৮০তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকার আইয়ান্না পাত্রুদু রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং রাজধানী হিসেবে অমরাবতীকে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষাকেই তিনি শহিদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা হিসেবে অভিহিত করেন।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
15 Aug 2026, 19:16
Updated
15 Aug 2026, 19:16
Reading time
2 min
অন্ধ্রপ্রদেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ও অমরাবতী প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
রাজনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • অমরাবতীকে রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার।
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও স্বাধীনতা রক্ষায় স্পিকারের জোরালো আহ্বান।
  • মৌলিক চাহিদা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর বিধান পরিষদ চেয়ারম্যানের তাগিদ।

অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকার সি.এইচ. আইয়ান্না পাত্রুদু রাজ্যের চলমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিশেষ করে অমরাবতী শহরকে ঘিরে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিজয়ওয়াড়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন রাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলের সুষম বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

স্পিকার তার বক্তব্যে মহান নেতাদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করার আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক কাঠামো রক্ষা করাই হবে বীর শহীদদের প্রতি আমাদের শ্রেষ্ঠ উপহার। বিশেষ করে অমরাবতীকে আধুনিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা এখন সরকারের অগ্রাধিকারের শীর্ষে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান মোশেনু রাজু অবশ্য উন্নয়নের অপর দিকের একটি চিত্র তুলে ধরেন। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, স্বাধীনতার আট দশক পার হলেও কিছু কিছু এলাকায় মানুষ আজও মৌলিক চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থানের অভাব এখনো গ্রামীণ জনপদে দৃশ্যমান।

রাজু তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন যে, যতক্ষণ না প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সুফল পৌঁছাচ্ছে, ততক্ষণ স্বাধীনতার পূর্ণ সার্থকতা আসবে না। তিনি নীতিনির্ধারকদের তৃণমূল পর্যায়ের সমস্যা সমাধানে আরও বেশি তৎপর হওয়ার অনুরোধ জানান।

সামগ্রিকভাবে, স্বাধীনতা দিবসের এই আলোচনায় অন্ধ্রপ্রদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব একদিকে যেমন বৃহৎ অবকাঠামোগত উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, অন্যদিকে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য দূর করার কঠিন বাস্তবতার কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, আসন্ন দিনগুলোতে অমরাবতী প্রকল্প গতিশীল হবে এবং একই সাথে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।