ভেনিজুয়েলার ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি: উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে সরকারের অবস্থানের পক্ষে রদ্রিগেজ
গত ২৪ জুনের প্রলয়ঙ্করী জোড়া ভূমিকম্পের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৩০০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কার মুখে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ তার সরকারের উদ্ধার ও সহায়তা অভিযানের পক্ষ সমর্থন করেছেন। অস্থিতিশীলতার শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি দৃঢ়তা ব্যক্ত করেন।

এক নজরে
- ২৪ জুনের জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩,০০০ ছাড়িয়েছে এবং এটি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।
- উদ্ধার তৎপরতায় সরকারের অবহেলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সামাজিক অস্থিরতার সম্ভাবনা নাকচ করলেন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ।
- আন্তর্জাতিক সাহায্য আসার আগে স্থানীয় পর্যায়ের অপ্রতুল সহায়তা নিয়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধছে।
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট গত ২৪ জুন দেশটিতে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী জোড়া ভূমিকম্পের পর সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। এই বিপর্যয়ে ইতিমধ্যেই ৩,০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেক মরদেহ আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ত্রাণ বিতরণে কোনো ধীরগতি ছিল না এবং দেশ কোনোভাবেই সামাজিক অস্থিরতার দিকে ধাবিত হবে না।
বিপর্যয় পরবর্তী দিনগুলোতে জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক নাগরিক ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করছে যে, আন্তর্জাতিক সাহায্যকারী দল পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত মার্কিন সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জাম এবং জরুরি সহায়তা সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহায়তার সংকট ছিল প্রকট, যা নিয়ে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ এই সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে বিপর্যয়ের ভয়াবহতাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, ভূমিকম্পের পরপরই স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক এবং জাতীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছিল। সরকারের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে, উদ্ধার কাজ এবং সহায়তার জন্য তাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে।
বিদেশের মানবিক সংস্থাগুলো এখন দেশটিতে অবস্থান করছে এবং ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে কার্যক্রম জোরদার করেছে। তবে মৃতের সংখ্যা যে আরও বড় আকারে বৃদ্ধি পাবে, তা বর্তমানে নিশ্চিত। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কার মুখে সরকার শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
