হামাসের নিরস্ত্রীকরণ তদারকিতে মার্কিন জেনারেল নিয়োগের বিষয়ে একমত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনারের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের আগে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করতে একজন মার্কিন জেনারেলের তত্ত্বাবধানের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
18 Aug 2026, 00:30
Updated
18 Aug 2026, 00:30
Reading time
2 min
হামাসের নিরস্ত্রীকরণ তদারকিতে মার্কিন জেনারেল নিয়োগের বিষয়ে একমত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র
আন্তর্জাতিক · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করতে মার্কিন জেনারেল তদারকির দায়িত্ব পাবেন।
  • অস্ত্র ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজা ছাড়বে না ইসরায়েলি বাহিনী, জানিয়েছেন নেতানিয়াহু।
  • ট্রাম্প প্রশাসনের গাজা শান্তি পরিকল্পনা পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টার অংশ এটি।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনারের মধ্যে এক সাম্প্রতিক বৈঠকে গাজা যুদ্ধের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নতুন সমঝোতা হয়েছে। ফ্রান্স ২৪-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, হামাসের পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে প্রত্যাহার করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু।

এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং হামাস সত্যই তাদের অস্ত্র ত্যাগ করেছে কি না তা যাচাই করতে একজন মার্কিন জেনারেলকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের গাজা শান্তি পরিকল্পনা পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফ্রান্স ২৪ জানায়, ইসরায়েলি এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই বৈঠকের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার উপস্থিতি ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রশমন করতে সাহায্য করবে। নেতানিয়াহু সরকার দীর্ঘদিন ধরে গাজায় নিরস্ত্রীকরণের ওপর জোর দিলেও তদারকির বিষয়টি অমীমাংসিত ছিল।

তত্ত্বাবধানের এই প্রস্তাবটি এমন এক সময়ে এল যখন বাইডেন পরবর্তী ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে নেতানিয়াহু সরকারের কিছুটা টানাপোড়েন চলছিল। এই নতুন বোঝাপড়া মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কূটনৈতিক প্রভাব আরও শক্তিশালী করতে পারে। তবে হামাস বা অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো এই প্রস্তাবকে কীভাবে দেখবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, একজন মার্কিন জেনারেলের সরাসরি অংশগ্রহণ এই যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামরিক নজরদারির পথ প্রশস্ত করতে পারে। তবে এর বাস্তবায়ন নির্ভর করছে গাজায় চলমান পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর চূড়ান্ত সম্মতির ওপর।

সামগ্রিকভাবে, এই নতুন চুক্তিটি গাজা থেকে ইসরায়েলি সামরিক প্রত্যাহারের জন্য একটি পূর্বশর্ত হিসেবে কাজ করবে। এটি মার্কিন মধ্যস্থতায় তৈরি হতে যাওয়া সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার একটি নতুন মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।