ঝাড়খণ্ডে রাজনৈতিক উত্তাপ: সোরেন ও রাহুলের কুশপুত্তলিকা দাহ, আলোচনার ডাক সরকারের
ঝাড়খণ্ডে জেএমএম-কংগ্রেস জোট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন তীব্রতর হচ্ছে। ১৫ আগস্টের মধ্যে সিবিআই তদন্তের দাবি পূরণ না হওয়ায় বিক্ষোভকারীরা মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও রাহুল গান্ধীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন।

এক নজরে
- ১৫ আগস্টের সময়সীমা পার হওয়ায় ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে।
- কংগ্রেসের সমর্থন প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ।
- দাবি মানা না হলে ২০ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের আল্টিমেটাম।
ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট মামলার সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব ছাত্র ও যুব আন্দোলনকারীরা সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে ১৫ আগস্টের মধ্যে দাবি না মানলে তারা সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করবে।
প্রতিশ্রুতি রক্ষা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা আগামী ২০ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও করার হুমকি দিয়েছেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্দোলনকারীদের চতুর্থ দফা আলোচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। হিন্দু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা কংগ্রেসকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য চাপ দিচ্ছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকার দুর্নীতির তদন্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা মনে করছেন, কেবল একটি নিরপেক্ষ কেন্দ্রীয় সংস্থা বা সিবিআই-এর মাধ্যমেই সঠিক বিচার পাওয়া সম্ভব। কংগ্রেসের ওপর চাপ প্রয়োগ করে তারা মূলত জোট সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
সরকার পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও আন্দোলনকারীরা এখনো তাদের কঠোর অবস্থানে অনড়। সরকারের আগামী পদক্ষেপ এবং ২০ আগস্টের ঘেরাও কর্মসূচি ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে যে সরকার আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কি না।
