ভোগাপুরম বিমানবন্দর অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: পবন কল্যাণ

অন্ধ্রপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ জানিয়েছেন যে ভোগাপুরম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাজ্যের অর্থনৈতিক রূপান্তরের অনুঘটক হবে। এই মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে।

বা
বাংলাদেশ আজকাল ডেস্ক
Newsroom
Published
01 Aug 2026, 20:15
Updated
01 Aug 2026, 20:15
Reading time
2 min
ভোগাপুরম বিমানবন্দর অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: পবন কল্যাণ
অর্থনীতি · ছবি: বাংলাদেশ আজকাল

এক নজরে

  • ভোগাপুরম বিমানবন্দর অন্ধ্রপ্রদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হবে।
  • কেন্দ্রীয় সরকারের নিরন্তর সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রশংসা করেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী।
  • প্রকল্পটি রাজ্যে ব্যাপক কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অন্ধ্রপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ রাজ্যের উন্নয়নমূলক যাত্রায় ভোগাপুরম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে এই প্রকল্পটি কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং রাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করে পবন কল্যাণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান যে, কেন্দ্রের ধারাবাহিক সহযোগিতার ফলেই এই ধরনের বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

এই বিমানবন্দরের ফলে উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের চেহারা বদলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি শিল্পায়ন এবং পর্যটন খাতের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা এই অঞ্চলের প্রতি আরও আকৃষ্ট হবেন।

পবন কল্যাণ বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন কর্মসংস্থানের ওপর। তিনি দাবি করেন যে, বিমানবন্দরের কার্যক্রম শুরু হলে স্থানীয় যুবক-যুবতীদের জন্য হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পরোক্ষভাবেও পরিবহন ও আতিথেয়তা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।

সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অন্ধ্রপ্রদেশকে ভারতের একটি শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। ভোগাপুরম বিমানবন্দর এই লক্ষ্য পূরণের অন্যতম ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।